দীপাবলিতে এই 'বাস্তুশাস্ত্র'-মত মেনে ঘর সাজান, জীবনে আসবে সুখ-সমৃদ্ধি
বেশ কিছু বাস্তুমতের বিধি মানলে, এই সময়েই আপনার বাড়িতে প্রবেশ করতে পারেন ধনলক্ষ্মী, জীবন ভরে উঠতে পারে সুখ ও সমৃদ্ধিতে।
দীপাবলির রাত মানেই আলোর রোশনাইয়ে অন্ধকারকে ধুয়ে ফেলা। আতশ বাজি থেকে বিভিন্ন রকমের আলো দিয়ে রাতকে আরও উজ্জ্বল করার প্রয়াস। তেমনভাবেই এই পবিত্র সময়ে দুর্ভাগ্যের কালো অন্ধকারকেও মুছে ফেলা যায়। বেশ কিছু বাস্তুমতের বিধি মানলে, এই সময়েই আপনার বাড়িতে প্রবেশ করতে পারেন ধনলক্ষ্মী, জীবন ভরে উঠতে পারে সুখ ও সমৃদ্ধিতে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক পন্থাগুলি।

গৃহস্বামীর সমৃদ্ধির জন্য
একটি পরিবারের মূল স্তম্ভ সে বাড়ির গৃহস্বামী। আর গৃহস্বামীর সমৃদ্ধি মানেই পরিবারের সমৃদ্ধি। এজন্য, একটিজল ভর্তি ট্রে-তে কিছু ফুল সাজিয়ে দীপাবলিতে গর সাজান। এতে গৃহস্বামীর সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি বাড়বে।

ঘরে লাগান স্বস্তিকা
ঘরের উত্তর পশ্চিম দিকে দীপাবলিতে রংগোলীর আল্পনা দিতে পারেন। যা অত্যন্ত শুভ বলে মানা হয়। এছাড়াও ঘরের ওঅ কোনাতেই স্বস্তিকা চিহ্ন বা ওম -এর চিহ্ন লাগাতে পারেন।

রংগোলীতে মাটির প্রদীপ
ঘরের দক্ষিণ পশ্চিমদিকে রংগোলী দিলে, সেখানে অবশ্যই বসান মাটির প্রদীপ। এতে গৃস্বামীর সমৃদ্ধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গৃহস্থে ঐশ্বর্যের সমাগম হয়।

বাড়ির মূল দরজা কী ভাবে সাজাবেন ?
বাড়ির মূল দরজার সামনের অংশ দীপাবলির রাতে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সম্ভব হলে মূল দরজার সামনের অংশের দেওয়ালে একটি রূপোর স্বস্তিকা চিহ্ন রাখলে তা গৃহ শান্তি ও পরিবারের সকলের সৌভাগ্যকে ডেকে আনবে বলে মত বাস্তুশাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের।

প্রতিটি কোনাতে আলোর রোশনাই চাই
বাড়ির সমস্ত কোনে যে আলো দিয়ে সাজানো থাকে , সেবিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে বলে জানাচ্ছেন বিভিন্ন বাস্তুশাস্ত্র বিশেষজ্ঞ। তাঁদের মতে এইভাবে নেতিবাচক শক্তিকে বাড়ি থেকে দূরে রাখা যায়।












Click it and Unblock the Notifications