Temple Entry Rules: দেশের কোন মন্দিরে ভাই বোনেদের একসঙ্গে প্রবেশ নিষিদ্ধ, জানুন আসল কারণ
ভারতকে ভগবানের ভূমি বলা হয়, কারণ এই দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গেঁথে রয়েছে দেবতার প্রতি ভক্তি। তাঁরা ভগবানকে খুব বিশ্বাস করেন। তবে সে নিয়ে কুসংস্করের তালিকাও রয়েছে অনেক। এদেশে ভগবানের স্থান রয়েছে অনেক। তবে এমন অনেক মন্দিরে রয়েছে যেখানে রয়েছে অদ্ভুত কিছু নিয়ম। এমন অনেক মন্দির রয়েছে যেখানে পুরুষেরা প্রবেশ করতে পারেন না, আবার এমন অনেক মন্দির রয়েছে যেখানে মহিলারা প্রবেশ করতে পারেন না।
এবার এমন এক মন্দিরের কথা বলব যেখানে ভাই বোনেরা কখনোই একসঙ্গে প্রবেশ করতে পারেন না। সেখানে ভাই-বোনেদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। রাখি বন্ধন উৎসবে আমরা অনেক অনেকেই দাদা বা ভাইয়ের জন্য মন্দিরে পুজো দিতে যাই, তবে এই মন্দিরগুলোতে ইচ্ছা করলেও আপনারা ভাই-বোন একসঙ্গে গিয়ে পুজো দিতে পারবেন না। দেবতার আশীর্বাদ নিতে পারবেন না। কেন নিতে পারবেন না, নেপথ্যে কী ইতিহাসই বা লুকিয়ে রয়েছে, জানুন।

ছত্তিশগড়ে নারায়ণপুর গ্রামে রয়েছে একটি শিব মন্দির,যেখানে শুধু মহাদেবের পুজো হয়, আর এই মন্দিরেরই ভাইবোনেদের একসঙ্গে প্রবেশ নিষিদ্ধ। কথিত আছে, এই মন্দিরটি কালাচুরি শাসকদের সপ্তম ও অষ্টম শতাব্দীতে তৈরি হয়েছিল এই পুরো মন্দিরটি।
এই মন্দিরটি লাল, কালো বেলে পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। মন্দিরটি খুব সুন্দর। মন্দিরের গায়ে সুন্দর মূর্তি খোদাই করা হয়েছে। ১৬ টি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে এই মন্দির। মন্দিরে রয়েছে একটি ছোট জাদুঘরও। শোনা যায়, অনেক বছর আগে এখানে পাওয়া গেছিল কিছু দেবতার মূর্তি।
এই মন্দিরে ভাই-বোনেরা কখনোই একসঙ্গে প্রবেশ করতে পারেন না ,শোনা যায়, এই মন্দিরের ভাই-বোনেরা যদি একসঙ্গে প্রবেশ করেন তাহলে তাদের জীবনে নেমে আসেন নানান সমস্যা, তাই ভুলেও কেউ প্রবেশ করেন না।
লোকমুখে শোনা যায়, এই মন্দিরটি তৈরি করতে ৬ মাস সময় লেগেছিল একজন শিল্পীর। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন তিনি, সেখানকার বাসিন্দারা বলেন রাতে উলঙ্গ হয়ে নাকি মন্দির তৈরি করেছিলেন নারায়ণ নামের একজন শিল্পী।
তবে জানেন কেন এই মন্দিরে ভাই বোন একসঙ্গে প্রবেশ করতে পারেন না? শিল্পী নারায়ন যখন এই মন্দিরটি নির্মাণ করছিলেন সেসময় তাকে খাবার দিতে রোজই মন্দিরে আসতেন তাঁর স্ত্রী। কিন্তু একদিন স্ত্রী ব্যস্ত থাকায় নারায়ণ বাবুর বোন তাঁর দাদাকে সেখানে খাবার দিতে আসেন, তবে নারায়ণ বাবু সে সময়ে উলঙ্গ হয়েই মন্দিরের কাজ করছিলেন। বোনকে দেখে তিনি লজ্জা পেয়ে যান। লজ্জায় তিনি মন্দিরের চূড়া থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। আর সেই কারণেই ভাই-বোনেরা কখনোই একসঙ্গে প্রবেশ করতে পারেন না। মন্দিরটি মূলত স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত।
এই মন্দিরের গায়ের অনেক জায়গাতেই হস্তমৈথুন্যের মূর্তি খোদাই করা রয়েছে, যা দেখে হয়তো ভাই বোনেরা লজ্জায় পড়ে যেতে পারেন, সেই কারণেই হয়তো ভাই বোনেদের একসঙ্গে এই মন্দিরে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আপনিও কিন্তু ভুলেও এই মন্দিরের আপনার দাদার সঙ্গে প্রবেশ করবেন না।












Click it and Unblock the Notifications