ব্রেকফাস্ট থেকে ডিনার, চতুর্থীতে গণেশ ঠাকুরকে কোন খাবার ভোগ দিলে মিলবে সুফল
ব্রেকফাস্ট থেকে ডিনার, চতুর্থীতে গণেশ ঠাকুরকে কোন খাবার ভোগ দিলে মিলবে সুফল
আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন। তারপরেই দেশের একাধিক শহরে শুরু হয়ে যাবে গণেশ পুজো। ইতিমধ্যেই তার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। গণেশ পুজোয় কিন্তু খাবারেরও এলাহি আয়োজন থাকে। কারণ গণেশ ঠাকুর খেতেও বড় ভালবাসেন। তবে কয়েকটি বিশেষ খবার অবস্যই জরুরি গণেশ পুজোর দিনে। ব্রেকফাস্ট থেকে ডিনার ভিন্ন ভিন্ন পদ সাজিয়ে দেওয়া হয় তাঁর জন্য।

মহারাষ্ট্রে গণেশ পুজো
মূলত মহারাষ্ট্রেই গণেশ চতুর্থীর ধুম বেশি। বাংলার দুর্গাপুজোর মতই আড়ম্বর করে সেখানে গণেশ চতুর্থী উদযাপন করা হয়ে থাকে। বড় বড় প্যান্ডেল। আলোকসজ্জা, বড় বড় মূর্তি। গোটা মহারাষ্ট্র যেন উৎসবের আমেজে মিশে যায়। প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে চলে এই গণেশ চতুর্থীর উৎসব। কেই একদিনেই পুজো করে বিসর্জন দেন। কেউ আবার ৭দিন, ১০ দিন,১৫দিন পর্যন্ত রাখেন। ঘরে ঘরেও গণেশ পুজো হয়ে থাকে। আবার সর্বজনীন গণেশ পুজোও হয় দুর্গাপুজোর মত। তার প্যান্ডেল দেখতে ভিড় করেন সাধারণ মানুষ। বিসর্জনের শোভাযাত্রাও হয় দেখার মতো।

গণেশ পুজো কখন
গণেশ পুজো এবার ১০ সেপ্টেম্বর পড়েছে। শুক্রবার। ৯ সেপ্টেম্বর রাত ২টো ২৫মিনিটে লাগছে চতুর্থী। ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা২২মিনিট পর্যন্ত থাকবে চতুর্থী। তবে গণেশ পুজোর সবচেয়ে শুভ মুহূর্ত সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিট পর্যন্ত। কাজেই অনেকটা সময়ই পাওয়া যাচ্ছে গণেশ পুজোর জন্য। শুভক্ষণে তিথি মেনে পুজো করলেই মিলবে সুফল। সিদ্ধিদাতার উপাসনায় কোনও খামতি রাখতে চান না ভক্তরাও।

কোন সময়ে কোন ভোগ
গণেশ ঠাকুর খেতেও ভীষণ ভালবাসেন। লাড্ডু আর মোদক তাঁর প্রিয় খাবার। তাই গণেশ চতুর্থীর ভোটে এই দুটি জিনিস বাদ দিলে চলবে না। ময়দা, গুড়, নারকেল দিয়ে তৈরি করা হয় মোদক। অনেকেই বাড়িতে তৈরি করেন। অনেকে আবার দোকান থেকেই কিনে নিয়ে আসেন। বাজারে এখন চকোলেট, ড্রাই ফ্রুট, আম সহ একাধিক ফ্লেবারের মোদক পাওয়া যায়। তারসঙ্গে অনেকেই পরিবেশন করেন বেসনের লাড্ডু। বেসন, ঘি, চিনি আর এলাচ দিয়ে তৈরি করা হয় এই লাড্ডু। এছাড়াও ঘন দুধ, এলাচ, ড্রাই ফ্রুট, নাট মেগ দিয়ে তৈরি করা হয় অাপেল বাসুন্দি। সেটাও খেতে রাবড়ির মতো হয়। এছাড়া গণেশ ঠাকুরের আরেকটি পছন্দের খাবার আমন্ড বাদাম ও দুধ দিয়ে তৈরি হালুয়া। মতিচুরের লাড্ডু ভীষণ খেতে ভালবাসেন গণেশ ঠাকুর। মারাঠীরা পুরনপোলিও গণেশকে ভোগ দিয়ে থাকেন। তার সঙ্গে আলু চচ্চড়ি আর লুচি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দফায় দফায় এই সব খাবার দেওয়া হয় গণেশের পুজোয়

কোন দিকে মূর্তি রাখবেন
গণেশ চতুর্থীর দিন শুধু পুজো করে ভোগ দিলেই হল না ঠাকুরের মূর্তি রাখার ক্ষেত্রেও বেশ কিছু নিয়ম মানতে হয়। পূর্ব অথবা উত্তর পূর্ব কোনে গণেশ ঠাকুরের মূর্তি বসাতে হয়। কোনও ভাবেই দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মুখ করে ঠাকুর বসাবেন না। দরজার দিকে মুখ করো কোনও ভাবেই ঠাকুরের মূর্তি বসাতে নেই। তবে কোনও ফাঁকা জায়গায় মূর্তি বসাবেন না। মূর্তির পিছনে যেন দেওয়াল থাকে।বাম দিকে শুঁড় রয়েছে এমন গণেশ মূর্তি রাখা সবচেয়ে শুভ। সিঁদুর, লাল চন্দন আর দুর্বাতে গণেশ সবচেয়ে বেশি খুশি হন। তাই এই তিনটি জিনিস দিয়ে পুজো করা অত্যন্ত জরুরি।












Click it and Unblock the Notifications