বাড়িতে সুখ–সমৃদ্ধি চান? শ্রাবণ মাসে ঘরে নিয়ে আসুন এই জিনিসগুলি, তুষ্ট হবেন ভোলেনাথ
শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার ভগবান শিবের পুজো করলে মনের সব ইচ্ছা পূরণ হতে পারে। শ্রাবণ মাসে শিবলিঙ্গে জল, দুধ, ধুতুরা, বেলপাতা এইসব অর্পণ করলে সব কষ্ট দূর হয়ে যায়। জ্যোতিষীদের মতে, শ্রাবণমাসে কিছু বিশেষ জিনিস কিনে বাড়িতে নিয়ে আসলে সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। শ্রাবণ মাস ১৪ জুলাই থেকে শুরু করে ১২ অগাস্ট পর্যন্ত থাকবে। শ্রাবণ মাসে ভগবান শিবের পুজোর বিশেষ মাহাত্ম্য বলা হয়েছে। এই শুভ মুহূর্তে শিবলিঙ্গে জল ঢালা খুবই ভালো বলে মনে করেন জ্যোতিষীরা।

ভস্ম
শাস্ত্র মতে যেখানে অন্য দেবী-দেবতাদের সুন্দর বস্ত্র ও আভূষণ প্রিয় সেখানে ভগবান শিবের প্রিয় জিনিসটা একটু অনন্য। ভগবান শিবের প্রিয় হল ভস্ম বা ছাই, যেটা উনি নিজের শরীরে লাগিয়ে রাখেন। শ্রাবণ মাসে আপনি ভস্ম বাড়িতে নিয়ে আসতে পারেন। শিবলিঙ্গে ভস্ম লাগালে ভগবান শিব এতে প্রসন্ন হন।

রূপো বা তামার ত্রিশূল
ত্রিশূল ভগবান শিবের অস্ত্র হিসাবে পরিচিত। বলা হয় যে বাড়িতে ভগবান শিবের ত্রিশূল থাকে সেখানে নেতিবাচক শক্তি ঢুকতে পারে না। শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার আপনি রূপোর ত্রুশূল এনে বাড়ির মন্দিরে রেখে দিতে পারেন। যদি রূপোর ত্রিশূল কেনার সামর্থ্য না থাকে তবে তামার ত্রিশূলও কিনে আনতে পারেন।

রূপোর বেলপাতা
বেলপাতা ছাড়া শিবের পুজো ইসম্পূর্ণ। শ্রাবণ মাসে আপনি রূপোর বেলপত্র ভগবান শিবকে অর্পণ করতে পারেন। বাড়ির মন্দিরে রূপোর বেলপত্র রাখলে জীবনের সব সমস্যা দূর হয়ে যায় এবং আর্থিক পরিস্থিতি আরও মজবুত হয়ে ওঠে।

নাগ–নাগিনের জোড়া
নাগ-নাগিনকে ভগবান শিবের আভূষণ বলে মনে করা হয়। শ্রাবণ মাসে রূপো বা তামার নাগ-নাগিন জুটি বাড়িতে আনা খুবই শুভ। বাড়ির মূল দরজার নীচে এটিকে চেপে রাখলে ব্যক্তির আটকে থাকা কাজ শুরু হয়ে যেতে পারে এবং নেতিবাচক শক্তিও ঘর থেকে দূরে থাকবে।

রুদ্রাক্ষ
হিন্দু ধর্মের মান্যতা অনুসারে, ভগবান শিবের যেখানে যেখানে চোখের জল পরেছে সেখানে সেখানে রুদ্রাক্ষ তৈরি হয়েছে। শ্রাবণ মাসে আপনি রুদ্রাক্ষ ঘরে নিয়ে আসতে পারেন। ঘরে রুদ্রাক্ষ রাখার ফলে ধন-ধান্য বৃদ্ধি পায়। জীবনের সব সঙ্কট দূর হয়ে যায় এবং বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি প্রবেশ করে।

গঙ্গাজল
শ্রাবণ মাসে গঙ্গাজল বাড়িতে আনা খুবই শুভ বলে মনে করা হয়। ভগবান শিবের বা শিবলিঙ্গের জলাভিষেক গঙ্গাজল দিয়ে করা হয়। শ্রাবণ মাসে, ভোলেনাথের ভক্তরা হর কি পৌরি থেকে কানওয়ারে গঙ্গার জল এনে বাড়িতে নিয়ে আসে। প্রথমে শিবকে গঙ্গাজল নিবেদন করা হয়। এরপরে, এটি বাড়িতে খুব সামলে রাখা হয়।
(এই সকল তথ্য সম্পূর্ণ জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল)












Click it and Unblock the Notifications