Raksha Bandhan: শ্রীরামচন্দ্র থেকে শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে বর্ণিত ভাই-বোনের সম্পর্কের নানান কাহিনি একনজরে
Raksha Bandhan: শ্রীরামচন্দ্র থেকে শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে বর্ণিত ভাই-বোনের সম্পর্কের নানান কাহিনি একনজরে
বৈচিত্রের রঙে ঠাসা ভারতের সংস্কৃতি। এমন এক সংস্কৃতিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান সাড়ম্বরে পালিত হয়। এক একটি মরশুমে এক একটি উৎসব ঘিরে আলাদা রকমের উদযাপনের রঙ দেখা যায় এই দেশের সংস্কৃতিতে। আর একটি দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত রয়েছে সেদেশের নানান মহাকাব্যে বর্ণিত নানান ধরনের ঘটনা। তেমনই এক উৎসব রাখী। এমন এক দিনে ভাই ও বোনের সম্পর্ককে উদযাপন করে রাখী পরানোর রীতি প্রচলিত। এই সম্পর্ক পৌরণিক যুগেও ছিল। প্রচলিত ছিল এই রাথী পরানোর রীতিও। একনজরে দেখা যাক, শ্রীকৃষ্ণ থেকে শ্রীরামের বোনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কয়েকটি ঘটনা দেখে নেওয়া যাক।

শান্তা ও শ্রীরাম
'রামায়ণ'-এ বর্ণিত রয়েছে, শ্রীরামের দিদি হলেন শান্তা। শোনা যায়, শ্রীরামচন্দ্র তাঁর ভাই লক্ষ্ণণ , ভরত ও শত্রুঘ্ণের সঙ্গে এই শান্তাকেও জন্ম দিয়েছিলেন দশরথ ও কৌশল্যা। তবে দশরথের কন্যা শান্তাকে পরে অঙ্গ প্রদেশের রমাপদ দত্তক নেন। পরবর্তাকালে এক ঋষিকে তিনি বিয়ে করেন বলে জানা যায়। বেদ ও পূরাণের জ্ঞান শ্রীশান্তার অভাবনীয় ছিল বলে শোনা যায়।

শ্রীকৃষ্ণ-সুভদ্রা
দেবকী -বাসুদেবের অষ্টম সন্তান শ্রীকৃষ্ণ। কংসের বন্দি করা জেলে থাকা অবস্থাতে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হলেও, তাঁকে নিরাপদ স্থানে বৃষ্টি নাথা করে রেখে আসেন বাসুদেব। পরবর্তী সময়ে শ্রীকৃষ্ণ কংস বধ করেন। তাঁর মা ও বাবাকে সেই জেল থেকে মুক্তি দেন। এরপর জন্ম নেন সুভদ্রা। উল্লেখ্য, পুরী জগন্নাথ মন্দিরে সুভদ্রার সঙ্গে দুই দাদা বলরাম ও জগন্নাথকে নিয়ে যে রথযাত্রা হয়, তাতে জগন্নাথকে শ্রীকৃষ্ণের অবতার হিসাবেই পুজো করা হয়। এদিকে, মহাভরতে বর্ণিত রয়েছে সুভদ্রার সঙ্গে বিয়ে হয় পাণ্ডব রাজপুত্র অর্জুনের। আর তাঁদের সন্তানই অভিমন্যু। অনেকেই যোগমায়া হিসাবে পুজো করেন সুভদ্রাকে।

রাবণ-সুর্পনখা
রাবণের সঙ্গে বোন সুর্পনখার কাহিনি বর্ণিত রয়েছে রামায়ণে। রামের ভাই লক্ষ্মণের হাতে সুর্পনখার নাক কাটার কাহিনি র বর্ণনা দিয়েছে মহাকাব্য রামায়ণ । এরপরই তীব্র রোষে রাবণ রামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

কৌরবদের বোন কে?
মহাভারতে বর্ণিত রয়েছে, কৌরবের বোন দুঃশলা । এই দুঃশলা কুরু বংশের অন্যতম রাজ কন্যা। যিনি গান্ধারীর গর্ভে জন্ম নেন। ধৃতরাষ্ট্র ও গান্ধারীর সন্তান দুঃশলার নাম মহাভারতে অনেকটাউ ছাপিয়ে গিয়েছে তাঁর ভাইদের নানান কীর্তির বর্ণনায়।

শকুনি ও গান্ধারী
গান্ধারীর ভাই শকুনির নামও মহাভারতে উঠে আসে। মহাভারতের পরতে পরতে বর্ণিত রয়েছে বোন গান্ধারী ও তাঁর সন্তানদের রক্ষা করতে কীভাবে বিভিন্ন শলা পরামর্শ করে গিয়েছেন তিনি, তা বারবার উঠে এসেছে মহাভারতের মধ্যে । তবে বোনের সন্তানদের রক্ষা করতে গিয়ে শকুনির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে কৌরবদের পতন ডেকে আনে তাঁর অলক্ষ্যে । তবে বোনের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থেকেই যে শকুনি একাজ করতে উদ্যত হন , তা কার্যত স্পষ্ট মহাকাব্যে।












Click it and Unblock the Notifications