পিতৃপক্ষে কাককে খেতে দেওয়া খুবই শুভ! জ্যোতিষমতে জানুন এর নেপথ্যের কারণ

পিতৃপক্ষে কাককে খেতে দাওয়া খুবই শুভ! জ্যোতিষমতে জানুন এর নেপথ্যের কারণ

পিতৃপক্ষ শুরু হচ্ছে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে। এই পিতৃপক্ষের অবসানেই মহালয়ার দিন নদীর তীরে পূর্ব পুরুষদের উদ্দেশে তর্পণে ব্রতী হন পিতৃহারা অনেকেই। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে মনে করা হয় যে, পূর্ব পুরুষরা এই সময় বছরে একবারই জলপান এই তর্পণের কালে। ফলে সেই দিন পূর্ব পুরুষরা তৃষ্ণার্ত হয়ে জল পেয়ে থাকেন বলে মনে করা হয়। এই পরিস্থিতিতে জ্যোতিষশাস্ত্র মতে মনে করা হয় যে কাককে যদি খেতে দেওয়া হয়, তাহলে তা ভালো ফল দেয়। কিন্তু কেন এমন মানা হয় , তার নেপথ্যে রয়েছে বহু ধরণের কারণ।

পিতৃপুরুষকে জলদান

পিতৃপুরুষকে জলদান

শাস্ত্র মতে মনে করা হয়, অশ্বত্থ গাছ পিার রূপ। ফলে পিতৃপক্ষে এই গাছকে জলদান কার অত্যন্ত শুভ। জ্যোতিষ মতে মনে করা হয় যে, এই পিতৃপক্ষের সময় প্রয়াত পিতারা বিভিন্ন বেশ ধারণ করে সন্তানের আশপাশেই থাকেন। আর এই সময় অশ্বত্থের বেশেও পিতার আবির্ভাব হয় বলে মনে করা হয়। অনেকেই মনে করেন যে পিতার বেশে এই সময় অশ্বত্থ গাছে আবির্ভাব হয় পিতার। ফলে এই গাছে জলদানের ফলে পিতৃপক্ষে ফল লাভ হয়।

 কেন কাকে পিতৃপক্ষে খেতে দেওয়া হয়?

কেন কাকে পিতৃপক্ষে খেতে দেওয়া হয়?

শাস্ত্র মতে, এই পিতৃপক্ষের সময়ের মধ্যে বহু পূর্ব পুরুষ কাকের বেশে পূর্ব পুরুষের আশপাশে ঘোরাফেরা করেন। সেই জন্য এই সময় কাকে ভোজন করালে তা শুভ ফল দিতে পারে। মনে করা হয় সন্তানের আশপাশে থাকতে কখনও কখনও কাক পিতার রূপ ধার করে ঘরে অতিথি হয়ে আসে। আর তাই এই সময়ে বাড়িতে কাক আসা ভালো বলে মনে করেন অনেকে। এই কারণে অনেকেই শ্রাদ্ধশান্তির খাবার কাককে খাইয়ে থাকেন। এতে সংসারে শুভ ফল লাভ হয় বলে মনে করা হয়।

কাককে ঘিরে শাস্ত্রজ্ঞদের মত

কাককে ঘিরে শাস্ত্রজ্ঞদের মত

অনেক শাস্ত্রবিদই মনে করেন আত্মা শরীর থেকে একবার বেরিয়ে গেলে তা অনেক সময় কাকের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। সেক্ষেত্র অনেকেই কাককে খারাপ রূপে দেখেন। আবার ধার্মিক নানা বিশ্বাসের জেরে মনে করা হয় যে কাক দেবপুত্র। রামায়ণে কথিত রয়েছে, সীতাকে আঘাত করার জন্য একবার কাককে লক্ষ্য করে শ্রীরামচন্দ্র তীর নিক্ষেপ করেন। পরে তাঁর খারাপ লাগায় তিনি কাকে আশীর্বাদ করে বলেন, কাককে যিনি ভক্ষণ করাবেন তিনি স্বয়ং নিজের পিতাকে ভক্ষণ করানোর সুখ অনুভব করবেন। এরপর থেকেই কাককে নিয়ে এমন মান্যতা রয়েছে।

দূর হয় কালসর্প দোষ

দূর হয় কালসর্প দোষ

পুরাণ অনুসারে, অমৃতের স্বাদ একবার খেয়ে ফেলেছিল কাক। মনে করা হয়,সেই মত অনুসারে এই পাখির কখনওই স্বাভাবিক মৃত্যু হয় না। ফলে কোনও দুর্ঘটনা বা সমস্যা জনিত কারণে কাকের মৃত্যু হয়। এদিকে, বলা হয়, কাককে খাওয়ালে কাল সর্প দোষ কেটে যায়। ফলে কাককে ভোজন করানো খুবই কার্যকরী ঘটনা বলে মনে করা হয়। অনেকেই কাককে ভোজন করিয়ে সুখ পান। সংসারে আসে কাঙ্খিত জিনিস।


খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+