শুরু হয়েছে পাপমোচনী একাদশী! ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ পেতে কী কী করবেন, জেনে নিন
শুরু হয়েছে পাপমোচনী একাদশী! ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ পেতে কী কী করবেন, জেনে নিন
হিন্দু শাস্ত্র ধর্ম মতে সমস্ত একাদশীতে ভগবান বিষ্ণুকে উৎসর্গ করা হয়। এর মধ্যে কিন্তু বিশেষ বলে ধরা হয় চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিকে। এই তিথিকে পাপমোচনী একাদশী বলা হয়। আজ অর্থাৎ চলতি বছরের ২৮ মার্চ, সোমবার পাপমোচনী একাদশীর উপবাস রাখা হয়। কথিত আছে, একাদশীর উপবাস করলে সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, তাই একে পাপমোচনী একাদশী বলা হয়। আর এই বিশেষ দিনে সিদ্ধি যোগ ও শুভ যোগ তৈরি হচ্ছে। যার কারণে এই দিনের গুরুত্ব আরও যায়।

শুভ মুহূর্ত
এই একাদশীর দিন শুভ সময়গুলি উপস্থিত। রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিট থেকে শুরু হয়েছে। যা আজ ২৮ মার্চ বিকাল ৪ টে ১৬ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। এই বিশেষ দিনের উপবাস পালনের সময় ২৯ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ৬ টা ২২ মিনিট থেকে ৮ টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত থাকবে।

পাপমোচনী একাদশীর উপাসনা কীভাবে করবেন
এই একাদশীর দিন সকালে স্নান করুন। তারপর পরিষ্কার ধোয়া পোশাক পরুন। সেই সঙ্গে উপবাসের ব্রত পালন করুন। সংকল্প গ্রহণের পরে ষোড়শপচার অর্থাৎ ১৬ টি জিনিস দিয়ে ভগবান শ্রী বিষ্ণুর পুজো সম্পন্ন করুন। জীবনে উপকার মিলবে।

এই দিনে ব্রাহ্মণদের খাওয়ান
পুজোর পরে অবশ্যই ভগবদকথা পাঠ করুন। যদি পারেন সেই সঙ্গে ব্রাহ্মণদের খাওয়ান। এই দিনে পরিবারের সকল সদস্যদের ভগবদকথা শোনান। তা খুব উপকারী ও শুভ বলে মনে করা হয়। সম্ভব হলে রাত্রি জেগে ঠাকুরের সেবা করুন। শুধুমাত্র ফল গ্রহণ করাই উপযুক্ত বলে মনে করা হয়।

নারায়ণের পুজো করা শুভ
উপবাস করার ফলে পরদিন সকালে স্নান সেরে ভগবান বিষ্ণুর পুজো করুন। দান করুন গরীবদের ও ব্রাহ্মণদের। শাস্ত্র মতে, এই ধরনের আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই উপবাস করলে সমস্ত পাপ দূর হয়। এদিন বাড়ির নারায়ণকে তুলসী পাতা, ফুল, ফল, প্রদীপ ও ধূপকাঠি দেখিয়ে পুজো করুন। সন্ধ্যে বেলা শীতল ভোগ যদি দিতে পারেন। তাহলে তা খুব ভাল। এই বিশেষদিনে সন্ধ্যা আরতির কিন্তু শুভ বলে মনে করা হয়। যে সব জায়গায় মন্দিরে নারায়নের বিগ্রহ রয়েছে, সেই সব জায়গায় এদিন বিশেষ পুজোপাঠের আয়োজন করা হয়। যা কিন্তু জীবনে অনেক উপকার হয়।












Click it and Unblock the Notifications