পিতৃপক্ষের সময় কাকেদের এত গুরুত্ব কেন দেওয়া হয়? জানুন এর পিছনে থাকা কারণ
আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে পিতৃপক্ষের সূচনা হবে। আর এই পিতৃপক্ষে কাকের গুরুত্ব অসীম। শাস্ত্রে কাককে যমরাজের প্রতীক বলে মনে করা হয়। কাককে খাবার দেওয়ার পরই পূর্বপুরুষরা সন্তুষ্ট হন। ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তির জন্য তর্পণ ও শ্রাদ্ধ করা উচিত। বিশ্বাস করা হয় যে এই সময় পূর্বপুরুষরা পৃথিবীতে আসেন এবং নিজেদের আত্মীয়দের মধ্যে থেকে অন্ন ও জল গ্রহণ করেন। পিতৃপক্ষের সময় কাকেদের বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। শাস্ত্রে কাককে যমরাজের প্রতীক বলে মনে করা হয়। কাককে খাবার দেওয়ার পরই পিতৃপক্ষ সন্তুষ্ট হন।

কাকেদের খাওয়ানো শুভ
পিতৃপক্ষে মানুষ তাঁদের পূর্বপুরুষদের পিণ্ডদান করেন এবং সম্মানের সঙ্গে ব্রাহ্মণদের ভোজন করান। পিতৃপক্ষের সময় কাকেদের খাওয়ানো খুব শুভ বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে আমাদের পূর্বপুরুষ কাকেদের রূপ ধরে ধরিত্রীতে এসেছেন।

ঘরের আঙিনায় কাক এসে বসলে
পিতৃপক্ষের সময় যদি ঘরের আঙিনায় কাক এসে বসে তবে এটা শুভ সঙ্কেত বলে মানা হয়। কাক যদি আপনার দেওয়া খাবার খেয়ে নেয় তবে এটা খুবই শুভ লক্ষণ। এটা এই সঙ্কেত দেয় যে আপনার পিতৃপুরুষ আপনার ওপর খুবই প্রসন্ন রয়েছেন।

কাক যদি খাবারের অংশ নিয়ে উড়ে যায়
কাক যদি আপনার দেওয়া খাবারের অংশ গ্রহণ করে উড়ে যায় তাহলে এর অর্থ হল আপনার পূর্বপুরুষরা আপনাকে প্রচুর আশীর্বাদ দিয়ে গিয়েছেন। পিতৃপক্ষের সময় কাকেদের ভোজন করানো খুবই পুণ্যকারী বলে মানা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে পিতৃপুরুষের কৃপা পাওয়া যায় এবং সব আটকে থাকা কাজ সম্পূর্ণ হতে থাকে।

পিতৃপক্ষের সময় কাকেদের বিশেষ গুরুত্ব
পিতৃপক্ষের সময় কাকের বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। কিন্তু যদি এই সময় আপনি কাকের দেখা না পান তবে আপনি কুকুর বা গরুকেও ভোজন করাতে পারেন। এতেও পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদ পাওয়া যাবে।

কাককে খাওয়ানোর প্রথা
পিতৃপক্ষে কাককে আমন্ত্রণ জানানো এবং শ্রাদ্ধের জন্য খাবার দেওয়ার প্রথা রয়েছে। কাক যদি শ্রাদ্ধের অন্ন গ্রহন করে, তাহলে পিতৃপুরুষরা সুখী ও তৃপ্ত বলে বিবেচিত হয়। কাককে না খাওয়ালে তর্পণ অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়।
(এই সকল তথ্য সম্পূর্ণ বাস্তু শাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল)












Click it and Unblock the Notifications