জন্মাষ্টমী ২০২১: ভোগ দেওয়ার শুভ ক্ষণ কখন! জানুন মাখন-মিছরি প্রসাদ দেওয়ার মাহাত্ম্য কী
জন্মাষ্টমীর দিন শ্রী কৃষ্ণকে কেন দেওয়া হয় মাখন ভোগ, জানুন ভোগ দেওয়ার তিথি
আর মাত্র ৫ দিনের অপেক্ষা। তারপরই ৩০ অগাস্ট দেশ জুড়ে দুমধাম সহকারে পালিত হবে জন্মাষ্টমী। ভাদ্রপদ মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমীর দিন শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন হিসাবে পালিত হয় জন্মাষ্টমী। এমন দিনের অপেক্ষায় এই মুহূর্তে সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে নানান প্রস্তুতি।

শ্রীকৃষ্ণের ভোগ
বলা হয় শ্রীকৃষ্ণ খাদ্যবিলাসী হিসাবে কেবলই দুধ, ঘি,মাখনের বিভিন্ন খাবার খেতে পছন্দ করেন। ফলে দুধ থেকে তৈরি হওয়া মিষ্টিও জন্মাষ্টমীতে দেওয়া হয় শ্রীকৃ্ষ্ণের উদ্দেশে। এছাড়াও দেশের বহু জায়গায় শ্রীকৃষ্ণকে দেওয়ার জন্য ৫৬ ভোগেরও বন্দোবস্ত করা হয়। তবে শাস্ত্র মতে বলা হয়, শ্রীকৃষ্ণকে তুষ্ট করতে নির্দিষ্ট তিথিতে অই ভোগ দেওয়ার রীতি রয়েছে। জন্মাষ্টমীতে কোন ক্ষণে শ্রীকৃষ্ণকে প্রসাদ দেওয়া উচিত দেখে নেওয়া যাক।

কোন ক্ষণে দিতে হবে ভোগ?
বলা হচ্ছে, জন্মাষ্টমীর দিন রাত ১২ টায়, অর্থাৎ যে তিযথি থেকে জন্মাষ্টমী ধরা হচ্ছে সেই তিথির শুরুতেই এই ভোগ দিতে হবে। এই ভোগের বিশেষত্ব হল, মাখন আর মিছরি। এই বিশেষ ভোগ ছাড়াও জন্মাষ্টমীতে শ্রীকৃষ্ণকে ছাপান্না ভোগ দেওয়া হয় জন্মাষ্টমীর সপ্তাহে। মূলত, আটবার সাত দিনে বিভিন্ন রকমের খাবার সাজিয়ে দেওয়া হয় শ্রীকৃষ্ণকে। ১৬ রকমের নোনতা পদ, ২০ রকমের শুকনো ফল, ২০ রকমের মিষ্টি দিয়ে সাজানো হয় এই ছাপান্না ভোগের পদ।

কেন দেওয়া হয় মাখন আর মিছরির ভোগ
জন্মাষ্টমীর দিন রাতে শ্রী কৃষ্ণর জন্মের সময় যাতে সঠিক তিথিতে ভোগ দেওয়া যায়, তার জন্য তাড়াতাড়ি ভোগ প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। তবে রাতের বেলায় জলদি ভোগ প্রস্তুতি মুশকিল। আর আগেল দিন করে রাখলে তা বাসি খাবার হিসাবে পরিগণিত হবে। তাই শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় সাদা মাখন ও মিছরি রাত ১২ টা নাগাদ দেওয়া হয়।

জন্মাষ্টমীর তিথি
জন্মাষ্টমী তিথির দিন হল ৩০ অগাস্ট ২০২১। অষ্টমী তিথি পড়ে যাচ্ছে ২৯ অগাস্ট রা ১১ টা ২৫ মিনিট থেকে। অষ্টমী তিথি সমাপ্ত হচ্ছে ৩১ অগাস্ট সকাল ১:৫৯ মিনিটে। সেই দিন গোধুলী মুহূর্ত হল ৬:৩২ মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৬:৫৬ মিনিট পর্যন্ত। রোহিনী নক্ষত্রের প্রারম্ভ হল ৩০ অগাস্ট সন্ধ্যে ৬:৩৯ মিনিট।












Click it and Unblock the Notifications