জন্মাষ্টমীর দিন ১০ শিশুকে লাড্ডু খাওয়ান, সমৃদ্ধি উপচে পড়বে আপনার ঘরে
জন্মাষ্টমীর দিন ১০ জন শিশুকে লাড্ডু খাওয়ান, সমৃদ্ধি উপচে পড়বে আপনার ঘরে
অগাস্ট মাসের শেষেই এবার পড়েছে জন্মাষ্টমী। ভাদ্রমাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। রোহিনী নক্ষত্র যোগে জন্ম হয়েছিল শ্রীকৃষ্ণের। সেই দিনটিতেই গোটা দেশে শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন পালন করা হয়ে থাকে। তবে জেনে নিন কোন খাবারগুলি ভোগ দিলে সমৃদ্ধি আসবে জীবনে।

কোন সময়ে পুজো
জন্মাষ্টমীর পুজো হবে ৩০ অগাস্ট সোমবার৷ ভোর থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে জন্মাষ্টমী তিথি শেষ হচ্ছে ৩১ অগাস্ট মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪৪ মিনিটে। আর রোহিনী নক্ষত্র যোগ শুরু হচ্ছে ঠিক সকাল ৬টা ৩৯ মিনিটে। ১২টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত থাকছে শুভ যোগ। এই সময়ের মধ্যে পুজো করলে সৌভাগ্য আপনার ঘরে বাস করবে। রোহিনী নক্ষত্র যোগে জন্মাষ্টমীর পুজো করা সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হয়। তবে এই সমৃদ্ধি আরও বৃদ্ধি পাবে যদি জন্মাষ্টমীর দিন ১০ জন শিশুকে লাড্ডু খাওয়াতে হয়। তাহলে সেই সমৃদ্ধি আরও দ্বিগুণ হয়। বাড়িতে কোনও শিশু থাকলে তাঁদেরও চকোলেট বা অন্য কোনও খাবার উপহার দিন।

কোন খাবার ভোগ দেওয়া উচিত
কথিত আছে শ্রীকৃষ্ণ শৈশবে দুধ,মাখল, ক্ষীর খেতে ভালবাসতেন। ননী খেতেও ভালবাসতেন গোপাল। শ্রীকৃষ্ণের মাখন এবং ননী চুরির কাহিনীও সকলের জানা। তাই জন্মাষ্টমীতে দুধের মিষ্টি বিশেষ করে ভোগ দেওয়া হয়।
কোরা নারকেলের সঙ্গে চাল এবং ফল মিশিয়ে তৈরি করা হয় এই বিশেষ ভোগ। গরুর দুধের সঙ্গে মাখন তৈরি করা হয় মাখন মিছরি৷ অনেকেই বাড়িতে ছানা ও চিনি মেখে দেওয়া নাড়ু তৈরি করে ভোগ দেয় গোপালকে। শৈশবে গোপালকে নাড়ু গোপাল বলেও ডাকা হত। কারণ তিনি নাড়ু খেতে বেশি ভালবাসতেন।

তালের বড়া কেন ভোগ দেওয়া হয়
বছরের এমন সময় গোপাল জন্মেছিলেন সেটা তাল পাকার সময়ই ৷ সেকারণে তাল ছাড়া জন্মাষ্টমীর পুজো হয় না বললেই চলে। জন্মাষ্টমীতে বাড়িতে বাড়িতে তালের বড়া তৈরি করা হয়। তালের পায়েস, তালের ক্ষীর তৈরি করা হয়। সেকারণেই বিশেষ করে জন্মাষ্টমীর দিনে তালের বড়া প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হয় গোপালকে। কৃষ্ণের ভোগে মাখন, মিছরি তো অবশ্যই দিতে হবে। তার উপরে তুলসিপাতা দিতে ভুলবেন না। ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করতে হবে। দুধ, দই, মাখনের মতো শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় খাবার রাববি। তাই জন্মদিনের এটাও দিতে হয়।

কীভাবে করবেন পুজো
জন্মাষ্টমী ব্রত পালনের জন্য প্রয়োজন ফুল, আতপ চাল, ফলের নৈবেদ্য, ফুল, তুলসীপাতা, দূর্বা, ধূপ, দীপ, পঞ্চগব্য, পঞ্চগুড়ি, পাট, বালি, পঞ্চবর্ণের গুড়ো, মধু পর্কের বাটি, আসন-অঙ্গুরী সংগ্রহ করতে হয়। নতুন পোশাক পরিয়ে সাজিয়ে তুলতে হয় কৃষ্ণকে। বাড়িতে সুগন্ধে ভরিয়ে তুলতে হয়। ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করতে হয়। উপবাস থেকে পুজো করলে সবচেয়ে ভাল হয়।












Click it and Unblock the Notifications