দু’ফুট উঁচু সিংহাসনে বসবেন জগন্নাথ, জগন্নাথপুর মন্দিরের পুজোর সময় সূচী সম্পর্কে জানুন
রথযাত্রা একটি বিশেষ দিন। এই দিনের জন্য ছোট থেকে বড় সকলেই প্রায় সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে থাকেন। সুন্দরভাবে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে সাজানো হয় ও রথযাত্রার অনুষ্ঠান করানো হয়। চলতি বছরের ২০ জুন পড়েছে সেই বিশেষ দিন। জগন্নাথপুরে আয়োজিত হয় বিশেষ রথযাত্রা। ৩৩৩ বছর ধরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে।
জগন্নাথপুর মন্দিরের সেবক এবং ট্রাস্ট কমিটির সদস্য ঠাকুর সুধাংশু সহদেব জানিয়েছেন, গত বছরের থেকেও এই বছর অনেক উঁচু করে রথ তৈরি করা হবে। যার উচ্চতা থাকবে প্রায় পাঁচ ফুট। পুরীর রথযাত্রার মতোই হয় এখানকার রথযাত্রা। রথকে সুন্দর ভাবে সাজানো হয়, সেই সঙ্গে সাজানো হয় জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে।

২ ফুট উঁচু সিংহাসনে বসবেন জগন্নাথ। রথে থাকবে তিনটি দরজা। রথের উচ্চতা হবে পাঁচফুট। ছোট ছোট সুন্দর ঘণ্টা দিয়ে সাজানো হয় এই রথ। তবে রথ যাত্রার আগে হবে জগন্নাথের চক্ষুদান। তিনি এই সঙ্গে সঙ্গে জগন্নাথপুর মন্দির পূজোর অনুষ্ঠানের সময়সূচিও জানিয়েছেন।
জুন মাসের ১৯ তারিখ জগন্নাথ দেবের চক্ষুদান হবে। সেদিন সকাল ছটায় মঙ্গল আরতি, তারপরে তারপর দুপুর ১২ টার সময় দেবতাকে অন্ন ভোগ নিবেদন করা হবে। বিকেল চারটেতে শুরু হবে চক্ষুদান। এই অনুষ্ঠান বিকেল সাড়ে চারটের সময় দেবতাকে দেওয়া হবে বিশেষ ভোগ। সেই কারণে বন্ধ থাকবে মন্দিরের দরজা।

২০ জুন সকাল ৫:০০ টায় জগন্নাথ মন্দিরের কপাট খুলবে, দুপুর ২ টোর সময় দেবতার দর্শন করতে পারবেন। দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল তিনটে পর্যন্ত দেবতাদের মূর্তি সাজানো হবে। যেমন বলরাম, সুভদ্রা, জগন্নাথ, গরুড়, নরসিংহকে সুন্দরভাবে ফুল দিয়ে সাজানো হবে। বিকেল ৩.০১ মিনিট থেকে সাড়ে চারটে পর্যন্ত বিষ্ণুর সহস্রনাম করা হবে। বিকেল চারটে একত্রিশ মিনিট থেকে পাঁচটা পর্যন্ত দেবতার জগন্নাথের পায়ে ফুল নিবেদন করার অনুষ্ঠান-পর্ব চলবে।
বিকেল ৫.০১ মাসির বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হবে। এই রথ সন্ধে ছটার সময় মাসির বাড়ি পৌছবে, জগন্নাথ দেবের এই রথ ছটা পাঁচ মিনিট থেকে সেখানকার ভক্তরা দেবতার দর্শন করতে পারবেন। সন্ধ্যে সাতটার সময় বন্ধ হবে দর্শনার্থীদের জন্য দেবতা দর্শন। এই রথ থেকে প্রতিমা নামানো হবে এবং রাত আটটায় ১০৮ টি প্রদীপ দিয়ে আরতি করা হবে। তারপর বন্ধ করা হবে, মন্দিরের দরজা।












Click it and Unblock the Notifications