কোন কোন কাজ করলে খুব সহজেই ঋণমুক্ত হতে পারবেন, জানেন
কোন কোন কাজ করলে খুব সহজেই ঋণমুক্ত হতে পারবেন, জানেন
উত্থান-পতন প্রতিটি মানুষেরই জীবনে লেগেই থাকে। কখনো কারোর কাছে প্রচুর টাকা থাকে, আবার কখনো অর্থের অভাব দেখা দেয়। যখন অর্থের অভাব দেখা দেয় তখন মানুষ ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়ে। কীভাবে সেখান থেকে বেরোবে তার উপায় খুঁজে পান না। কিন্তু সবাই চেষ্টা করেন যাতে ঋণের বোঝা মাথায় না থাকে। অনেকেই ভাবেন ঋণ থেকে কীভাবে বেরোবেন। সেইসঙ্গে জীবনকে টেনশন মুক্ত রাখবেন। জেনে নিন এই সব প্রতিকারগুলো করলে ঋণ থেকে আপনি অনেক দূরে থাকতে পারবেন।

কবে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করবেন
প্রতি মঙ্গলবার ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা শুরু করবেন। ঋণের প্রথম কিস্তি দেওয়ার আগে বিকেলে কিছু প্রসাদ, খাঁটি তেলের প্রদীপ, চন্দনের ধূপকাঠি, হলুদ ফুলের মালা মা লক্ষীকে অর্পণ করুন। তাহলে খুব শিগগিরই আপনি ঋণ থেকে মুক্তি পাবেন। আর ঋণের যে টাকা নিয়ে ভাবছেন সেটাও আপনাকে ভাবতে হবে না।

ঋণমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত গণেশের স্তোত্র পাঠ করুন
ঋণের প্রথম টাকা দেওয়ার পর মন্দিরে গিয়ে ঋণের কিছু অংশের টাকা ভগবানকে কিছু নিবেদন করুন। এবং সেইসঙ্গে বলুন প্রভু দয়া করে শীঘ্রই এই ঋণ থেকে মুক্তি দিন। ঋণমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন গণেশের স্তোত্র পাঠ করতে হবে। তাহলে আপনি খুব দ্রুত ঋণ থেকে মুক্তি পাবেন।

মঙ্গল যন্ত্র বাড়িতে রাখুন
যদি আপনি বাড়ি তৈরীর মত শুভ কাজের জন্য ঋণ নেন। তাহলে অবশ্যই একটি বিশেষ প্রতিকার করুন। গৃহ নির্মাণের সময় শ্রীযুক্ত শ্রী যন্ত্র , বাস্তুদোষ নির্বাণ যন্ত্র, 'শ্রী মঙ্গল যন্ত্র'কে বাড়িতে রাখুন। এটি বাড়িতে শুভ ফল এনে দেয় অর্থাৎ ইতিবাচক শক্তি বয়ে আনে। যেকোনোও ধরনের প্রথম কিস্তি পরিশোধ করতে সেইদিন হনুমানজির নামে দুজনকে খাওয়ান।

কী কাজ করলে ঋণ মুক্ত হবেন
মঙ্গল বারের প্রথম কিস্তি দেওয়ার পর ১০০ গ্রাম মসুর ডাল কোনোও গরিব মানুষকে দান করুন। এটি পরপর তিনটি মঙ্গলবার করলে আপনি উপকার পাবেন। মনে রাখবেন তারপর আপনি ঋণ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন। এই জিনিসগুলি দারিদ্র কাউকে দান করা খুব ভালো। ডালটি দেওয়ার সময় অবশ্যই তাকে বলবেন আজ আপনি আপনার পরিবারের সঙ্গে এটা খাবেন। তাহলে দেখবেন আপনি খুব তাড়াতাড়ি ঋণ থেকে বেরোতে পারবেন।
(এই সকল তথ্য জ্যোতিষ নির্ভর। সকলের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নাও হতে পারে)












Click it and Unblock the Notifications