বছরের প্রথম বৃহস্পতিবার কী কী উপায় করলে সারা বছর বজায় থাকবে সৌভাগ্য?
বৃহস্পতিবারে সৌভাগ্য
শুরু হয়েছে নতুন বছর। আর নতুন বছরের শুরুতেই নানা রকম উপায়ে নিজের ভাগ্যচক্রকে নতুন দিশায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা কএছেন সকলেই। নতুন বছরে সুখ-শান্তি ও অগ্রগতি প্রত্যাশা করছেন সবাই। আর জ্যোতিষ মতে নতুন বছরে বেশ কিছু উপায় করলে দূর করা যায় রাশি ও ভাগ্যচক্রের সব রকম বাঁধা বিপত্তি। হিসাব মত ৬ তারিখ হল নতুন বছর অর্থাৎ ২০২২সালের প্রথম বৃহস্পতিবার। এই দিন বিশেষ কী কী উপায় করলে সারা বছর সুখ সমৃদ্ধি লাভ হবে জীবনে, দেখে নেওয়া যাক।

সিদ্ধিদাতা গণেশের পুজো
প্রথম পূজ্য গণেশকে শুধুমাত্র সিদ্ধিদাতাই বলা হয় না, তাঁকে বুদ্ধি ও সমৃদ্ধিদাতা এবং 'বিঘ্নহরতা' নামেও ডাকা হয়ে থাকে। কারণ গণেশ জীবনের সব দুঃখ দূর করে সব বিঘ্ন হরণ করেন। তাই বছরের প্রথম বৃহস্পতিবার যদি শ্রী গণেশের উপাসনা করা যায় তা খুবই শুভ বলে মনে করা হয়। সম্ভব হলে পূজার ঘরে গণেশের একটি ছোট সাদা মূর্তি স্থাপন করে তাঁকে হলুদ রঙের বস্ত্র পরিয়ে হলুদ ফুল অর্পণ করা খুব শুভ। প্রসাদ হিসেবে লাড্ডু নিবেদন করাও খুব শুভ।

শঙ্খ বাজানো
সনাতন ধর্মে শঙ্খের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে ঘরে নিয়মিত শঙ্খ ফুঁক দিলে তা বাড়ির সব নেতিবাচক শক্তি দূর করে। আর শঙ্খের আওয়াজ মা লক্ষ্মীর খুবই প্রিয়। বৃহস্পতিবারকে লক্ষিবার হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়। তাই এই দিন সকাল ও সন্ধেবেলা তিনবার করে শঙ্খ বাজালে সারা বছর বাড়িতে সুখ ও শান্তি বজায় থাকবে।

গুরুর উপাসনা করা
বৃহস্পতিবার হল গুরুর বার। অর্থাৎ এই দিন দিক্ষা গ্রহণ করা খুবই শুভ বলে মানা হয়। আর গুরুকে স্বয়ং ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর অর্থাৎ তিন দেবের সঙ্গে তুলনা করা হয়। তাই বছরের প্রথম বৃহস্পতিবার যাঁদের দিক্ষা নেওয়া হয়ে গিয়েছে সেইসব ব্যক্তিদের যদি গুরুদেবের উপাসনা করে গুরু মন্ত্র জপ করা যায় তাহলে তা খুবই শুভ বলে মানা হয়। কিন্তু যারা এখনও গুরুদিক্ষা নেননি তাঁরা দেবাদীদেব শিবের উপাসনা করতে পারেন। কারণ তাঁকেই সর্ব গুরু বলে মনে করা হয়। এছাড়া শ্রী কৃষ্ণ ও বলভদ্রের উপাসনা করলেও তা গুরু উপাসনারই সমতুল্য মনে করা হয়।
(এই সকল তথ্য সম্পূর্ণ রূপে জ্যোতিষ তথ্যের উপর নির্ভরশীল)












Click it and Unblock the Notifications