কেন পালন করা হয় গণেশ চতুর্থী, জানুন তাৎপর্য, কোন ভোগ ছাড়া গণপতির পুজো সম্পন্ন হয় না
জ্যোতিষশাস্ত্র ও হিন্দুধর্মে গণেশ চতুর্থীর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। প্রতিবছর আড়ম্বরের সঙ্গে ভক্তরা গণেশ উৎসব পালন করে থাকেন। চলতি বছর ৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে গণেশ চতুর্থী উৎসব, যা দশ দিনব্যাপী চলবে। সারাদেশ জুড়ে গণেশ চতুর্থীর খুব বড় করে আয়োজিত হয়।
তবে মহারাষ্ট্রে সব থেকে বেশি জাঁক করে এই পুজোর আয়োজন করা হয়। গণেশ চতুর্থীর ৭ তারিখে শুরু হবে। যা চলবে ১৭ তারিখ পর্যন্ত। আবার এই দিনেই বলেছে বিশ্বকর্মা পুজো পরেছে। আপনি কি জানেন, কেন গণেশ চতুর্থী পালন করা হয়। কী কী ভোগ নিবেদন করা হয়, কোন ভোগ ছাড়া গণেশের পুজো সম্পন্ন হয় না, জানুন।

বলা হয়, ভগবান গণপতি পুজো করলে জীবনে সমস্ত ঝামেলা থেকে বের হওয়া যায়। প্রতিবছর ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে এই গণেশ চতুর্থী পালিত হয়। এই দিনে অনেকেই কিন্তু বাড়িতে গণেশ দেবতার পুজো করেন। তাছাড়া অনেক বড় করেও প্যান্ডেলে এই পুজোর আয়োজন করা হয়।
- কেন পালিত হয় গণেশ চতুর্থী, তাৎপর্য
ভগবান শিব ও মাতা পার্বতীর পুত্র হলেন গণেশ। ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে, এই দিনটিতেই গণেশের জন্মবার্ষিকী উৎসব পালন করা হয়। গণেশ চতুর্থীই বিনায়ক চতুর্থী নামেও পরিচিত। যে ব্যক্তির বাড়িতে গণেশ ঠাকুর থাকে, তার জীবনে সর্বদা সাফল্য লেগেই থাকে।
শিবপুরানে বলা হয়, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথিতে গণেশের জন্ম হয়েছিল। এদিন গণেশের আবির্ভাব হয়েছিল ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে। ভাদ্র মাসের শুক্লাপক্ষের চতুর্থী তিথিতে রাতে চাঁদ দেখা একদমই উচিত নয়। বলা হয়, যে ব্যক্তি চাঁদের দিকে তাকায়, তার নামে নাকি সকলে মিথ্যে কলঙ্ক রটায়।
- কোন ভোগ দেবতাকে নিবেদন করবেন
গণেশ চতুর্থীতে আপনি গনেশকে আপনার মন মতন ভোগ নিবেদন করতেই পারেন। তবে বলা হয়, তিনি নাকি মোদক খেতে ভীষণ ভালোবাসেন। তাই মোদক আর লাড্ডু ছাড়া গণেশ পুজো নাকি সম্পন্ন হয় না। তাই এই পুজোতেও আপনি কিন্তু বাড়িতেই বানিয়ে এই ভোগগুলি নিবেদন করতে পারেন।
সেই সঙ্গে ফলমূল নিবেদন করবেন। হলুদ রঙের পোশাক গণেশকে পরাবেন। এতে দেবতার কৃপা আপনার উপর লেগে থাকবে। এতে জীবনে সকল কাজেই আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন।
(এই সকল তথ্য জ্যোতিষ নির্ভর, সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে)












Click it and Unblock the Notifications