বিদায় নেওয়ার সময় হয়ে এল বাপ্পাজির, গণেশ বিসর্জনের দিন অবশ্যই মনে রাখবেন এই কথাগুলি
গণেশ চতুর্থীতে গণেশ স্থাপনা হওয়ার ১০দিন পর অনন্ত চতুর্দশীতে গণপতি বাপ্পার বিসর্জন হয়। মানুষ পরের বছর তাড়াতাড়ি আসার স্লোগান দিয়ে বাপ্পাজিকে বিদায় জানান। আবার কেউ কেউ দশদিনের পরিবর্তে দেড়দিন, তিনদিন, পাঁচদিন অথবা আটদিন পর্যন্ত গণেশজিকে রেখে দেন। এই কারণেই গণেশ স্থাপনার দেড়দিন পর থেকেই গণপতি বিসর্জনের শুভ মুহূর্ত শুরু হয়ে যায়। এ বছর ১০ দিন পর অর্থাৎ ৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণপতির বিসর্জন হবে। এই সময় গণপতি বাপ্পার পবিত্র স্লোগান মুম্বই থেকে শুরু করে দেশ-বিদেশের নদীর ঘাটে ঘাটে গুঞ্জরিত হতে থাকে। আসুন গণপতি বিসর্জনের প্রথম বিসর্জনের সঙ্গে যুক্ত কিছু জরুরি কথা ও নিয়ম জেনে নেওয়া যাক।

গণেশের সঙ্গে বিরাজ থাকেন ঋদ্ধি–সিদ্ধি
মহারাষ্ট্রে গণপতির সঙ্গে গৌরী অর্থাৎ ঋদ্ধি-সিদ্ধিও বাস করেন। একে গৌরী গণপতি বলা হয়। এই সময়ে, বাড়িতে বিশেষ সজ্জা করা হয় এবং গৌরী গণপতিকে অনেক ধরণের ভোগ নিবেদন করা হয়।

গণেশ বিসর্জনের সময় মনে রাখবেন এই বিষয়গুলি
গণেশ বিসর্জনের আগে গণেশ পুজো করে একটি নতুন চৌকিতে বাপ্পাজিকে বসান। এরপর গণেশের পুজো করে তাঁকে চন্দন, কুমকুম, অক্ষত, জল, পান, সুপারি, দুর্বা, ভোগ অর্পণ করুন। এরপর গণেশজির আরতি করুন। ধূপ-প্রদীপ দিয়ে আরতি করুন। এরপর গণেশজির সামনে হাতজোন করে পুজোয় হওয়া কোনও ত্রুটির জন্য ক্ষমা চেয়ে নিন। এর পাশাপাশি জীবনে যাতে সবকিছু ভালো হয় তার আশীর্বাদ চান।

গণেশজির বিসর্জন করুন এভাবে
আরতি করার পর নাচ-গান, ব্যান্ড-বাজার মাধ্যমে গণেশজির বিসর্জনের জন্য যান। এই সময় চামড়ার কোনও জিনিস ধারণ করবেন না, কালো পোশাক পরবেন না। মদ্যপান সহ নেশা থেকে দূরে থাকুন। পুরো ভক্তি ভরে গণেশজির বিসর্জন দিয়ে তাঁর শীঘ্র আসার প্রার্থনা করুন।

গণেশ ভগবান সফলতার প্রতীক
সব ভগবানের মধ্যে গণেশজির পুজো সবার আগে করা হয়। এছাড়া যে কোনও মাঙ্গলিক কাজ গণেশজির পুজো ব্যাতীত শুরু হয় না। গণেশজি সব বিপদ কাটিয়ে দেন তাই তাঁকে বিঘ্নহর্তা বলা হয়ে থাকে। মন থেকে গণেশজির পুজো করলে বাপ্পা সব বিপদ কাটিয়ে ব্যক্তিকে সফলতার চূড়ায় নিয়ে যায়। তাই ভক্তিভরে গণপতির পুজো করা উচিত, এতে ভক্তের প্রতি প্রসন্ন হন ভগবান।
(এই সকল তথ্য সম্পূর্ণ জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল)












Click it and Unblock the Notifications