কীভাবে শনিদেবকে প্রসন্ন করবেন জানেন? এই ছোট্ট কাজেই মিলবে শনির কৃপা
শনির সাড়েসাতি ও ধাইয়াকে শুভ বলে মনে করা হয় না। এটা খুবই কষ্টদায়ক হয়। বিশ্বাস করা হয় যে যাঁর ওপর সাড়েসাতি ও ধাইয়া চলে তাঁর জীবন পুরো ওলট পালট হয়ে যায়। কিন্তু যদি আপনি কাউকে সহায়তা করেন, কারোর সাহায্য করেন তাহলে শনি শুভ ফল দেয়। এরকম ব্যক্তিদের শনি জীবনে অপার সফলতা প্রদান করেন।

শনি কখন অশুভ ফল দেয়
শনিকে কর্মফলদাতা ও ও ন্যায়ের দেবতা বলা হয়ে থাকে। শনিকে কলিযুগে দণ্ডাধিকার বলে বিবেচনা করা হয়। শনি ব্যক্তির ভালো-মন্দ কর্মের হিসাব করে। এইজন্য শনির প্রকোপ থেকে বাঁচতে হলে ব্যক্তিকে অনৈতিক কাজ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। এর পাশাপাশি নিয়ম ও অনুশাসনের পালন করতে হবে। শনি পরিশ্রমের দেবতা। যারা কঠোর পরিশ্রম করা ব্যক্তিদের আদর-সম্মান করেন, তাদের প্রশংসা করেন, শনি তাঁদের বিরক্ত করেন না। আবার যাঁরা অন্যদের সহায়তা করেন শনিদেব তাঁদের জীবনে শুভ ফল প্রদান করেন।

শনি এখন কোন রাশিদের ওপর ভারী রয়েছেন
শনি এই সময়ে ৫টি রাশির উপর বিশেষ নজর রাখছেন। বর্তমানে, শনি মকর রাশিতে বিপরীতমুখী (শনি বক্রী ২০২২) হয়ে গোচর করছে। শনিও এই রাশির অধিপতি এবং এই রাশিতে শনি সাড়েসাতি চলছে। একই সময়ে ধনু ও কুম্ভ রাশিতে চলছে সাড়েসাতি। সেই সাথে মিথুন ও তুলা রাশি এই দুই রাশিতে চলছে শনির ধাইয়া।

শনি এই লোকেদের কঠোর দণ্ড দেন
শনিকে একটি ন্যায়প্রিয় গ্রহ বলা হয়। যারা অন্যের ক্ষতি করে তাদের অবশ্যই শাস্তি দেন শনি। দুর্বলদের হয়রান করা, তাদের শোষণ করা, যারা নিয়ম মানেন না তাদের শাস্তি দেওয়ার কাজও করেন শনি।

শনিদেবের হাত থেকে বাঁচার উপায়
-বাড়িতে অবশ্যই নীল অপরাজিতা ফুলের গাছ লাগানো উচিত।
-সকালে গুড় ও রুটি কালো কুকুরকে খাওয়ালে শনির অশুভ প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
-ভাত রান্না হওয়ার পরে, খাওয়ার আগে যদি কাককে খাওয়ানো হয় তাহলে কিছু শুভ ফল হবেই।
-অন্তত আড়াই বছর নীল পেন, নীল রুমাল, নীল জামা, এমনকি বাড়ির পর্দাও নীল ব্যবহার করা দরকার।
-প্রতি শনিবার দুপুরের খাদ্য অবশ্যই কালো পাথরের থালাতে বিউলির ডালের সঙ্গে গ্রহণ করলে সাড়েসাতির দোষ কাটে।
-প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে মুখ হাত ধুয়ে খালি পেটে পাঁচটা কালো তিল ভক্ষণ করলে খুব উপকার পাওয়া যায়
(এই সকল তথ্য সম্পূর্ণ জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল)












Click it and Unblock the Notifications