পালন করেন রথযাত্রা উৎসব, পিছনে লুকিয়ে থাকা পৌরাণিক কাহিনী সম্পর্কে আপনি কি জানেন?
জগন্নাথদেবের ভক্তরা সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে থাকেন রথযাত্রার জন্য। প্রতিবছর আষাঢ় মাসের শুক্লাপক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে পালিত হয় রথযাত্রা। আর এই বিশেষ দিনে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার বিশেষ পুজোর আয়োজন করেন ভক্তরা। পুরীর জগন্নাথ মন্দির অত্যন্ত বিশেষ। পুরীতে রথযাত্রার বিশ্ব বিখ্যাত। সেখানে বিশেষ রথযাত্রার আয়োজন করা হয়। তাছাড়া অনেক বনেদি বাড়িতেও কিন্তু রথযাত্রার আয়োজন করা হয়।
আষাঢ় মাসের শুক্লাপক্ষের দ্বিতীয় তিথির শুরু হবে ৭ জুলাই সকাল ৪ টে ২৬ মিনিট থেকে। যা শেষ হবে ২৮ জুলাই। উদয়া তিথি অনুযায়ী ৭ জুলাই কিন্তু পালিত হবে রথযাত্রা উৎসব। কেন পালিত হয় এই রথযাত্রা উৎসব, জানুন। শোনা যায়, ৭০০ বছরেরও বেশি পুরনো পুরীর রথযাত্রা উৎসব। তাই এই উৎসবের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আপনি কি জানেন, রথযাত্রার পৌরাণিক কাহিনী সম্পর্কে।

জুলাই মাসের ১৬ তারিখ পড়েছে উল্টো রথযাত্রা। ইতিমধ্যে কিন্তু জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা পালিত হয়েছে। কথিত আছে, রথ যাত্রার দিন রথের দড়ি টানলে জীবনের অনেক পাপ ক্ষয় হয়। সেই সঙ্গে জগন্নাথ দেবের কৃপা পাওয়া যায়। এই বিশেষ দিনে নানান জায়গায় মেলা বসে।
রথযাত্রা নিয়ে নানান পৌরাণিক কাহিনী রয়েছে। জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে ভগবান জগন্নাথকে স্নান করানো হয়। তারপরেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপর ১৫ দিন পর জগন্নাথকে আলাদা করে রেখে তাঁর সেবা করে সুস্থ করে তোলা হয়। তারপর তিনি সুস্থ হবার পর সকলকে সামনে আসেন। জগন্নাথের দর্শন পেয়ে সকলে খুব আনন্দিত হয়ে রথযাত্রার আয়োজন করেন।
পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, শ্রীকৃষ্ণের সময় থেকে রথযাত্রার শুভ সূচনা হয়েছে। জগন্নাথ দেবকে শ্রীকৃষ্ণের অংশই বলা হয়। রামানুজ, রামানন্দ, শ্রীচৈতন্য জগন্নাথদেকে কৃষ্ণ হিসাবে পূজা করতেন। বলা হয়, শ্রীকৃষ্ণের দাদা বলরাম ও বোন সুভদ্রা ভাই বোনকে নিয়ে রথে করে শহর দর্শনে বেরোতেন। সেই সময় রথযাত্রা সূচনা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications