আপনিও কি খুব রেগে যান? গ্রহের দশা হতে পারে এর কারণ, দ্রুত করুন এই প্রতিকার
রাগ বা ক্রোধ বাস্তব জীবনে এক প্রকার ক্ষমতা। যে ব্যক্তিদের ক্রোধ কম থাকে, তাদের রাগ একটি ইতিবাচক শক্তি হিসাবে কাজ করে, কিন্তু যখন আমরা খুব রেগে যাই, তখন এই শক্তি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। রাগ আসা মাত্রই ভাবনা-চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে যায়। আপনার কথা, মস্তিষ্কে এই রাগের খুব গভীর প্রভাব পড়ে। যে কোনও ব্যক্তির স্বভাব তাঁর ব্যক্তিত্ব নির্ধারণের সবচেয়ে প্রথম ও প্রভাবশালী বিষয় হয়ে থাকে। রাগের বশে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনেকসময়ই ভুল হয়, এইজন্য বলা হয় গুরুত্বপূর্ণ নির্ণয় শান্ত মনে নেওয়া উচিৎ। রাগের বশে ব্যক্তি কিছু ভুলভাল বলার পর পরে আফশোষ করতে হয় তাঁকে। কিন্তু তখন আফশোষ করে লাভটাই বা কি, যেটা মুখ থেকে বেরিয়ে গিয়েছে তা ফেরৎ আনা যায় না। তাই ভেবেচিন্তে কথা বলা দরকার সর্বদা। বিশেষ করে রাগের সময়।

গ্রহের অবস্থান ব্যক্তির রাগ বাড়িয়ে দেয়
যখন ব্যক্তির কুণ্ডলীতে ফায়ারি গ্রহ তাঁর ভেতরের ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় তখন তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে ব্যক্তির ক্রোধ দেখা যায়। গ্রহের পরিবর্তিত দশার কারণে ব্যক্তির ক্রোধ কম বা বেশি দেখা যায়। যে ব্যক্তির কুণ্ডলীতে চন্দ্রমা-মঙ্গল সূর্যের সঙ্গে আসা, সেই ব্যক্তিদের বেশি ক্রোধ আসে। আবার যখন কুণ্ডলীতে চন্দ্রমা মঙ্গল এবং বৃহস্পতির সঙ্গে আসে, তখন এটা নেতিবাচক ক্রোধ দিয়ে থাকে। এই ব্যক্তিরা অতিরিক্ত মাত্রায় রাগ করে থাকেন। ওই জায়গায় আবার যখন চন্দ্রমার যোগ কেতুর সঙ্গে হয় তখন ব্যক্তির ক্রোধ গুপ্ত থাকে। অন্তর্মুখী ব্যক্তি গুপ্ত ক্রোধ দেখায়, অর্থাৎ এদের ক্রোধ তো হয়, কিন্তু নিজেদের রাগ প্রকাশ করে না।

এই উপায় প্রয়োগ করে রাগ কমিয়ে ফেলুন
অনেকেই রয়েছেন যাঁরা ছোট ছোট কথায় রাগ করে বসেন, যেটা খুবই ভুল জিনিস। এদের এটা অনুভব করা উচিত যে সেই বিষয়গুলি এতটাও বড় নয় যে যার ওপর রাগ করা যেতে পারে। কিছু মানুষ রয়েছে যারা তিলকে তাল করে দেখে, এটাও রাগের এক অংশ বিশেষ। রাগ কম করার সবচেয়ে প্রথম উপায় প্রাণায়াম করা। রোজ সকালে উঠে আপনি প্রাণায়াম বা মেডিটেশন করুন, দেখবেন এর প্রভাবে আপনার মন থেকে ধীরে ধীরে রাগ-ক্রোধ কমে যাবে, আপনি শান্ত হয়ে যাবেন।

দ্বিতীয় উপায়
দ্বিতীয় উপায় হল প্রতিদিন গণেশ স্ত্রোত্রের পাঠ করুন। ভগবান গণেশজি ব্যক্তির চেতনার অধিপতি। আপনি গণেশজির যতবেশি উপাসনা করবেন, ততই আপনার আত্মার চেতনা আসবে এবং আপনি বুঝতে পারবেন যে কোন কথায় আপনার রাগ করা উচিত আর কোন কথায় শান্ত থাকতে হবে।

তৃতীয় উপায়
তৃতীয় উপায় হল হনুমানজির স্মরণে চলে যান। মঙ্গলবার করে লাল ফুল, লাল মুসুরের ডাল, চন্দনের ফোঁটা কপালে লাগান, দেখবেন মন অনেক শান্ত লাগবে।
(এই সকল তথ্য সম্পূর্ণ জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল)












Click it and Unblock the Notifications