ভূত চতুর্দশীর দিন এই কাজগুলি করলে গৃহস্থে ধন সম্পত্তি বৃদ্ধি হয়
ভূত চতুর্দশীতে যেমন অশুভকে বিনাস করা হয়, তেমনই বেশ কয়েকটি কাজ করলে ধন সম্পত্তি লাভেরও সুযোগ এসে যায়।
কালীপুজোর আগের দিনটি ভূত চতুর্দশী হিসাবে পরিচিত। দেশের কোনও কোনও অংশে একে নরক চতুর্দশী বলেও পালন করা হয়। তবে দেশের যে প্রান্তই হোক না কেন, মনে করা হয় এই দিন গৃহস্থ থেকে অশুভ শক্তিকে বিতারণের দিন। কোথাও আবার অশুভ শক্তির আরাধনা করে তাকে তুষ্ট রেখে প্রার্থনা করা হয় যেন সে , গৃহস্থে প্রবেশ না করে।
কথিত রয়েছে কৃষ্ণপক্ষে এই দিনই নরকাশুরকে হত্যা করেন কৃষ্ণ, সত্য়ভামা ও কালী। তারপর থেকেই এই দিনটিকে অশুভের ওপর শুভর জয় বলে ধরে নেওয়া হয়। তাই বাংলা বিহারে এই সময়ে মহাকালীশক্তির আরাধনা করা হয়ে থাকে। তবে ভূত চতুর্দশীতে যেমন অশুভকে বিনাস করা হয়, তেমনই বেশ কয়েকটি কাজ করলে ধন সম্পত্তি লাভেরও সুযোগ এসে যায়। কী সেই নিয়মগুলি জেনে নিন।
[দীপাবলিতে এই 'বাস্তুশাস্ত্র'-মত মেনে ঘর সাজান, জীবনে আসবে সুখ-সমৃদ্ধি ]

কখন উঠবেন?
অনেক জ্যোতিষবিদ বলে থাকেন, ভূত চতুর্দশীর ভোরে সূর্যোদয়ের আগেই উঠে পড়তে হয়। তা গৃহস্থের পক্ষে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। অনেকেই পরামর্শ দেন, এই দিন ভোরে উঠে স্নান করে নিলে তা মঙ্গলদায়ক ফল দেয়।

ঈশ্বর আরাধনায় সম্পত্তি লাভ
কথিত রয়েছে ভূত চতুদর্শীর দিন শ্রীকৃষ্ণের পুজা করা ভালো। কারণ তিনিই নিধন করেছিলেন নরকাসুরের। অন্যদিকে এদিন, ঘরের থেকে অশুভ শক্তি বিনাশ করতে হনুমানজির পুজা পাঠও শুভ ফল দায়ক।

চোদ্দপ্রদীপ
বাড়িতে এদিন কোনওভাবেই অন্ধকার টিকতে দেওয়া যাবে না। তাই বাড়ির চারদিকে রাখা হয় ১৪ টি প্রদীপ। এই কাজও গৃহে ধনসম্পত্তি আসার জন্য ভালো একটি দিক।

মাটির প্রদীপ দান
এই দিন অন্য কাউকে যদি ১৪টি মাটির প্রদীপ দান করা যায়, তাহলে সমৃদ্ধি আসার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন অনেক জ্যোতিষবিদ। এই কাজে সম্পত্তি বাডা়র সম্ভাবনা থাকে।

কুবের পুজা
নরক চতুর্দশীর দিন কুবের পুজা অত্যন্ত ফলদায়ক। তাই এই দিন কুবের মন্ত্র পাঠ করে থাকেন অনেকে।












Click it and Unblock the Notifications