গণেশ বিসর্জনের সময় অবশ্যই এই কাজগুলি করবেন, প্রসন্ন হবেন বাপ্পাজি
গত ৩১ অগাস্ট ২০২২ সালে গণেশ উৎসবের মধ্য দিয়ে গণেশ উৎসব শুরু হয়ে যায়, যা আগামীকাল ৯ সেপ্টেম্বর অনন্ত চতুর্দশীতে শেষ হবে। এইদিন বিশাল বিশাল গণেশের মূর্তিগুলিকেনদী, খালে বিসর্জন দেওয়া হয়। তবে পরিবেশ রক্ষার খাতিরে ঘরে ঘরে চলছে গণেশ বিসর্জন। মহারাষ্ট্র সহ একাধিক রাজ্যে গণেশ বিসর্জনের দিন বিশাল শোভাযাত্রা বের করা হয় এবং খুব ধুমধামের সঙ্গে গণেশজিকে বিদায় জানানো হয়। গণেশ বিসর্জনের সময় কিছু বিশেষ নিয়ম মাথায় রাখতে হবে, নয়তো বিসর্জনের সময় বেশ কিছু ভুল গণপতি বাপ্পাকে ক্ষুব্ধ করে দিতে পারে। গণেশ বিসর্জনের কিছু মাহাত্ম্যপূর্ণ নিয়ম আসুন জেনে নেওয়া যাক।

গণেশের পুজো করুন
গণেশ বিসর্জনের আগে গণেশজির বিধি-বিধান মেনে পুজো অবশ্যই করুন। তাঁকে ধূপ, প্রদীপ, ফুল, দুর্বা, নৈবেদ্য অর্পন করুন। যখন বিসর্জনের জায়গায় পৌঁছাবেন তখন আরও একবার গণেশজিকে হলুদ, কুমকুম, অক্ষত লাগিয়ে ভোগ দিন। গণেশের আরতি করে পুজোর সময় যদি কোনও ভুল-ত্রুটি হয় তার জন্য ক্ষমা চান। এরপর বিসর্জন দিয়ে দিন। সর্বদা শুভ মুহূর্তে গণেশজির বিসর্জন করুন।

শুভ মুহূর্ত
এ বছর ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে অনন্ত চতুর্দশীর দিন সকাল ৬টা ০৩ মিনিট থেকে ১০টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত এবং সন্ধ্যা ৫টা থেকে সাড়ে ছ'টা পর্যন্ত গণেশ বিসর্জনের শুভ মুহূর্ত রয়েছে।

শেষ পুজোর সব সামগ্রী বিসর্জন দিয়ে দিন
গণেশ বিসর্জনের সময় খেয়াল রাখুন যে গণেশজির শেষ পুজোয় যে যে সামগ্রী যেমন পান, সুপারি, মোদক, দুর্বা, নারকেল তাঁকে অর্পণ করেছিলেন সেগুলিকে গণেশজির মূর্তির সঙ্গে বিসর্জন দিয়ে দিন। নারকেল ফাটাবেন না, জলে ভাসিয়ে দিন।

গণেশজির বিসর্জনের নিয়ম
গণপতি বিসর্জনের সময় মূর্তিকে এক ঝটকায় জলে ফেলবেন না। বরং গণেশ মূর্তিকে ধীরে ধীরে বিসর্জন দিন। যদি ঘরে প্রতিমা বিসর্জন করছেন তাহলে মূর্তির থেকে বড় আকারের পাত্র নিন আর তাতে এতটাই জল দিয়ে ভরে রাখুন যাতে মূর্তি ভালো করে ডুবে যায়। এরপর পবিত্র জলটিকে কোনও গামলা বা পবিত্র গাছের শিকড়ের নীচে ফেলে দিন। এই জলে যেন কোনওভাবে পা না লাগে বা অশুদ্ধ যেন না হয়। এই জলকে নোংরা হাতে ধরবেন না। গণেশ বিসর্জনের সময় কালো পোশাক পরবেন না।
(এই সকল তথ্য সম্পূর্ণ জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল)












Click it and Unblock the Notifications