সন্ধ্যাবেলা ভুলেও করবেন না এই কাজ , অজান্তেই জীবনে ঘনাবে বিপদ!
সন্ধ্যাবেলা ভুলেও করবেন না এই কাজ , অজান্তেই জীবনে ঘনাবে বিপদ!
বাস্তুশাস্ত্রে অনেক নিয়ম এবং তার প্রতিকারের কথা বলা হয়েছে। সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সময় কী কী করা উচিৎ এবং উচিৎ নয় সেই বিষয়ে বাস্তুতে বিভিন্ন নিয়ম বলা হয়েছে। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে সূর্যাস্তের সময় কোনো কাজ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এটি করলে ঘরে নেতিবাচকতা আসে। এই কাজগুলো যদি সন্ধ্যার পর ভুলেও করা হয়, তাহলে অর্থহানি, রোগের মতো নানা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। জেনে নেওয়া যাক বাস্তু শাস্ত্র অনুযায়ী সন্ধ্যাবেলায় কী কী কাজ করা উচিত এবং কী করা উচিৎ নয়।

দরজা বন্ধ রাখা
বাস্তু মতে সন্ধ্যায় বাড়ির প্রধান দরজা বন্ধ রাখা একদমই উচিৎ নয়। বিশেষত সন্ধ্যাবেলা পুজো বা ঠাকুরের আরতি করার সময় দরজা বন্ধ করে রাখা ঠিক নয়। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই সময়েই মা লক্ষ্মী ঘরে প্রবেশ করেন। তাই এ সময় দরজা বন্ধ রাখলে দেবী লক্ষ্মী ঘরে প্রবেশ করতে পারেননা, আর তার জন্য লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত থাকে সেই বাড়ি ফলে ঘরে দারিদ্র্যতা আসে।

তুলসী গাছ স্পর্শ
এমনিতেই বলা হয় বিকেলের পর গাছে হাত দিতে নেই। আর তারই মধ্যে সন্ধ্যার সময় তুলসী গাছকে স্পর্শ করা একদমই উচিৎ নয়। মনে করা হয় সন্ধ্যার পর এই কাজ করলে তুলসী রাগ করেন। তাই সন্ধ্যায় ভুলেও তুলসী স্পর্শ করা ঠিক নয়। দেবী তুলসীকে লক্ষ্মীর রূপ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তাই এই কাজ করলে মা লক্ষ্মীও রুষ্ট হন এবং বাড়িতে নানা রকম ভাবে আর্থিক সমস্যা তৈরি হয়।

সন্ধায় দান করা
বিভিন্ন জিনিস দান করার নানা রকমের নিয়ম জ্যোতিষ ও বাস্তু মতে মেনে চলা হয়। সেইমত সূর্যাস্তের সময় রসুন, পেঁয়াজ, লবণ, টক জাতীয় কোনও জিনিস, সূঁচ ইত্যাদি কাউকে দেওয়া বা কারও কাছ থেকে নেওয়া একদম উচিৎ নয়। বাস্তু মতে এতে পরিবারে নানা সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও সন্ধ্যা বেলায় বাড়ি থেকে কোনও ভিক্ষুককে খালি হাতে ফেরত পাঠানো খুব অশুভ বলে মনে করা হয়। যার যা সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু দান করা ভালো। পাশাপাশি সন্ধ্যায় টাকা লেনদেন করাও ঠিক নয়। এই সময়ে কাউকে ধার দেওয়া থেকে বিরত থাকা জরুরী। এ সময় ধার দেওয়া টাকা ফেরত পাওয়া যায় না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সন্ধ্যাবেলায় ক্লেশ বৃদ্ধি
সূর্যাস্তের সময় বাড়ির কোনও সদস্যের ঘুমানো বা ঝগড়া করা উচিত নয়। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে সন্ধ্যায় বাড়িতে সম্পদের দেবী লক্ষ্মীর আগমন ঘটে। এ সময় বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা কিংবা বাইরের কোনও ব্যক্তির সঙ্গে কলহ ক্লেশে জড়িয়ে পড়লে বা ঝগড়া করলে লক্ষ্মীর পরিবর্তে অলক্ষ্মীর আগমন ঘটে। এতে ঘরে দারিদ্র্যতা আসে এবং ব্যক্তির আর্থিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে।

সন্ধ্যাবেলার শুভকাজ
এটা বিশ্বাস করা হয় যে সন্ধ্যার সময় এবং পরে নেতিবাচক শক্তি সক্রিয় হয়। তাই এই সময়ের মধ্যে এই সকল কাজ পরিহার করা উচিত। কিন্তু আবার সূর্যাস্তের সময় বেশকিছু কাজ করা শুভ বলে মনে করা হয়। যেমন সন্ধ্যাবেলায় দেবতাদের পূজা ও আরতি করা শুভ বলে মনে করা হয়। বাস্তু মতে এটি ঘরে নেতিবাচক শক্তিকে প্রভাবিত করতে আটকায়।
(এই সকল তথ্য সম্পূর্ণ জ্যোতিষ ও বাস্তুশাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল)












Click it and Unblock the Notifications