নবরাত্রির সময় এই জিনিসগুলি বাড়িতে আনুন, কোনওদিন অর্থের অভাব থাকবে না
নবরাত্রির সময় এই জিনিসগুলি বাড়িতে আনুন
দেবী দুর্গাকে উৎসর্গ করে যে উত্সব পালন করা হয় তা শারদীয়া নবরাত্রি হিসেবে পরিচিত। আর এই জনপ্রিয় ব্রত আর কয়েক দিনের মধ্যে শুরু হবে। নবরাত্রির এই সময়টাকে খুব শুভ বলে মনে করা হয়। এই সময় দেবী দুর্গার ৯টি রূপের আরারাধনা করা হয়। এই নবরাত্রির সময় কেউ যদি উপবাস করেন, পুজো–পাঠ করেন তবে জীবনের সব দুঃখ দূর হয়ে যায়। এর সঙ্গে সুখ–সমৃদ্ধিতে ভরা দিন আসে। যদিও ঋতু পরিবর্তনের সময় বছরে চারবার নবরাত্রি পালিত হয়। হিন্দু মাসে আশ্বিন মাসে শারদীয়া নবরাত্রি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি সেই হিন্দু উৎসবগুলির মধ্যে একটি যা দেশের সর্বত্র উদযাপিত হয়। জ্যোতিষেও নবরাত্রির মাহাত্ম্য অপরিসীম। যদি এই সময় বাড়িতে এই বিশেষ জিনিসগুলি আনতে পারেন তবে জীবনে আনন্দ–খুশি আসতে বেশি দেরি লাগবে না।

নবরাত্রির সময় লাগান তুলসী গাছ
কিছু গাছকে নবরাত্রির সময় খুবই শুভ বলে মানা হয়। এমনকী তুলসী গাছকে তো ভগবানের রূপ বলেই মনে করা হয়। নবরাত্রির সময় তুলসীর গাছ আনা খুব শুভ বলে মনে করা হয়। তবে মনে রাখবেন রবিবার ও একাদশী বাদ দিয়ে রোজ তুলসী গাছে জল দিন। এর সঙ্গে রোজ সন্ধ্যায় তুলসী তলায় প্রদীপ দেওয়াও খুব শুভ। এরকম করলে কখনও অর্থের অভাব হয় না।

কলাগাছ লাগান
এছাড়াও নবরাত্রির মধ্যে কোনও ভালো দিন দেখে বাড়িতে কলাগাছ লাগানো শুভ বলে মনে করা হয়। এই গাছে রোজ জল দিন। বৃহস্পতিবার জলের মধ্যে দুধ মিশিয়ে গাছের গোড়ায় দিলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও ভালো হয়ে যায়। একইভাবে, হরসিংগার গাছ লাগালেও সম্পদ বৃদ্ধি পায়। এ জন্য লাল কাপড়ে হারসিংগারের বাঁদে (যখন অন্য একটি গাছ অন্য গাছ জন্মে তখন তাকে বাঁদে বলা হয়) বেঁধে টাকা রাখার জায়গায় রাখুন।

এই টোটকা করুন
বট পাতা, ধুতুরা মূল এবং শঙ্খপুষ্পী মূলের প্রতিকারগুলিও নবরাত্রির সময় খুব কার্যকর। এর জন্য, গঙ্গার জল দিয়ে বট পাতা ধুয়ে তার উপর হলুদ এবং দেশি ঘি দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ন তৈরি করুন। তারপর ৯ দিন ধূপ দেখিয়ে এই পাতার পূজো করুন। পরে, এটি একটি লাল কাপড়ে মুড়িয়ে এবং পূজোর স্থানে রাখুন। এই টোটকা আশীর্বাদ নিয়ে আসে। এ ছাড়া, নবরাত্রির সময়, ধুতুরার শিকড় একটি লাল কাপড়ে মুড়ে মা কালীর মন্ত্র জপ করুন। শঙ্খপুষ্পীর মূলটি একটি রূপার বাক্সে রাখুন এবং টাকা রাখার জায়গায় রাখুন। এই টোটকা সব আর্থিক সমস্যা দূর করবে।

নবরাত্রি উপবাসের সময় আপনাকে অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে যেগুলি
রসুন, পেঁয়াজ, গম, চাল, মসুর, মাংস, ডিম এবং মসলা যেমন হলুদ, ধনে, হিং, গরম মসলা সর্ষে, লবঙ্গ ইত্যাদি এই নয় দিনে ব্যবহার করা যাবে না। সাধারণ নুনের ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে এবং এর পরিবর্তে সন্ধক লবণ বেছে নিতে হবে। এছাড়া তাপ সৃষ্টিকারী তেল যেমন সরষের তেল বা তিলের তেল এড়িয়ে চলতে হবে। ভক্তরা এর পরিবর্তে চিনাবাদাম তেল বা ঘি, মাখন ব্যবহার করতে পারেন। অ্যালকোহল এবং তামাক খাওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

কি কি খাওয়া উচিত
সিঙ্গারের আটা, কুট্টু (বকওয়েট), সামা (বার্নইয়ার্ড মিলেট), রাজগিরা (আমরান্থ), চিনাবাদাম, সাবু, মাখন, দুধ, দই খেতে পারেন। ফল এবং সবজি যেমন আলু, কাঁচা কলা, ওল, শুকনো ফল এবং বাদাম এগুলি এই নয়দিনের ব্রত পালনের সময় খেতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications