হোলির আগের রাতে আরও এক বিরল 'সুপার মুন' আসন্ন, এর নামকরণের নেপথ্যে কোন কাহিনি
হোলির আগের রাতে আরও এক বিরল 'সুপার মুন' আসন্ন, এর নামকরণের নেপথ্যে কোন কাহিনি
সামনেই হোলি। তার আগে রয়েছে বাঙালির দোলযাত্রা। আর এমন এক সময় রাতের আকাশ পূর্ণিমার আলোতে আলোকিত থাকে। মনোরম দোল পূর্ণিমায় আয়োজিত হয় বিভিন্ন পার্বণ। তবে হোলির আগের রাতে অন্ধকারকে পুড়িয়ে আলোর উৎসব পালিত হয় 'হোলিকা দহন' এর মাধ্যমে। এদিকে, এই হোলিকা দহনের রাতেই ২০২১ সালে আসতে চলেছে আরও এক সুপার মুন।

রবিবার কখন দেখা যাবে 'সুপার মুন'?
রবিবার ২৮ মার্চ ভারতীয় সময় রাত ১২ টা ১৮ মিনিটে চাঁদ সবচেয়ে কাছে আসবে। আর তার জন্য় সেই চাঁদকে সবচেয়ে বেশি বড় দেখাবে। আর সেই কারণেই তা 'সুপার মুন' হিসাবে পরিলক্ষিত হবে। হোলির আগের দিন দোল পূর্ণিমার রাতের এই চাঁদ 'ওয়ার্ম সুপারমুন' নামেও পরিচিত।

'কাক চাঁদ'!
মার্চ মাসে যে সুপার মুন দেখা যায়, তার নামকরণ নিয়ে ১৯৩০ সাল থেকে বহু আলোচনা হয়েছে । বলা হয়, মার্চ মাসে যে চাঁদ দেখা যায়, তা কখনও 'সুগার' বা 'চিনি' , কখনওবা 'স্যাপ' আবার কখনও বা 'ক্রো মুন' হিসাবে পরিচিত। আর সেই জায়গা থেকেই এমন চাঁদের নাম বাংলা তর্জমা করলে 'কাক চাঁদ'ও বলা যেতে পারে। তবে এমন আজব নামকরণের নেপথ্যে রয়েছে বেশ কিছু ঘটনা।

কেন এমন নামকরণ?
মূলত, আমেরিকার উত্তরের দিকের উপজাতিরা এই চাঁদকে 'ক্রো মুন' বলে থাকে। শীতের শেষে এই সময় কাকের ডাকে বোঝা যায় শীতের সমাপ্তি। আর সেই থেকেই এমন মার্চ মাসের চাঁদের নাম 'ক্রো মুন'। এদিকে, দক্ষিণের দিকের উপজাতিরা এই চাঁদকে 'ওয়ার্ম মুন' বলে। যখন হিমবাহ উত্তর আমেরিকাকে ঢেকে দেয়, তখন 'আর্থ ওয়ার্ম' (কেঁচো) সরিয়ে দেয়। আর তারপর হিমবাহ সরে গেলে সেখানের বনজঙ্গল কেঁচোবিহীন হয়ে যায়। সেই থেকেই 'ওয়ার্ম মুন' নামের উৎপত্তি।

কতদিন আকাশে থাকবে এই চাঁদ?
মূলত, তিনদিন ধরে আকাশে থাকবে এই বিশেষ আকারের বড় চাঁদ। নাসা সূত্রের দাবি, ২০২১ সালে একাধিক সুপারমুন আসন্ন। আর ২৮ মার্চ তার অন্যতম দিন।












Click it and Unblock the Notifications