২৬ মে চন্দ্রগ্রহণের সময়কালে আছড়ে পড়বে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস! বৈদিক জ্যোতিষ কোন ইঙ্গিত দিচ্ছে
২৬ মে চন্দ্রগ্রহণের সময়কালে আছড়ে পড়বে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস! বৈদিক জ্যোতিষ কোন ইঙ্গিত দিচ্ছে
আবহবিদরা জানিয়েছেন আমফানের মতোই ভয়াবহ হতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের সংহার মূর্তি। এদিকে, ২৬ মে রাতের আকাশ জুড়ে রক্তবর্ণ চাঁদ দেখতে পাওয়া যাবে চন্দ্রগ্রহণের সময়। একদিকে চন্দ্রগ্রহণ অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের দাপট। তারই মাঝে রয়েছে করোনার ভয়াল প্রকোপ। এমন পরিস্থিতিতে বৈদিক জ্যোতিষ গণনা কী বলছে দেখে নেওয়া যাক।

রক্তচাঁদের রাতেই ঘূর্ণিঝড়!
২৬ মে ভারতীয় সময় অনুযায়ী, ২৬ মে দুপুর ২টো ১৭ মিনিট থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। এরপর গ্রহণের গ্রাস বিকেল ৪ টে ৫৫ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হবে। এরপর গ্রহণ ছাড়বে ৭ টা ১৯ মিনিটে। এই পরিস্থিতিতে , গ্রহণের সময়কালে কোথাও কোথাও দেখা যাবে ২০২১ সালের প্রথম ব্লাড মুন বা রক্তবর্ণ চাঁদ। অন্যদিকে , ২৫-২৬ মের মধ্যে বাংলা, ওড়িশার বুকে আছড়ে পড়ার কথা বঙ্গোপসাগরে জন্ম নেওয়া বিধ্বংসী সাইক্লোন ইয়াসের। এই দুয়ের মেলবন্ধন একাধিক বিষয়ে জ্যোতিষ মতে কী ইঙ্গিত দিচ্ছে , জানা যাক।

চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে বৈদিক জ্যোতিষ কী বলে?
প্রসঙ্গত, বৈদিক জ্যোতিষ মতে চন্দ্রগ্রহণ কেটে যাওয়ার পর মড়কের আশঙ্কা থাকে। এমন সময় দাঙ্গা, অশান্তিও লেগে থাকে অনেক ক্ষেত্রে। এই পরিস্থিতিতে ২৬ মে চন্দ্রগ্রহণের পর ঘূর্ণিঝড়ের সমাগমে কী কী ঘটতে পারে, তা নিয়ে জল্পনা ও শাঙ্কা রয়েছে।

মানুষের শরীরে প্রভাব রক্তচাঁদের
জ্যোতিষ গণনা বলছে, চন্দ্রগ্রহণের হাত ধরে রক্তচাঁদ মানুষের শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যাঁদের কোষ্ঠীকে চন্দ্রের প্রভাব বেশি থাকবে, তাঁরা এই সময় মুড সুইংয়ের প্রভাবে থাকবেন। এমনই মত জ্যোতিষ শাস্ত্রের। এরই মাঝে ঝড়ের প্রভাব মানুষের জীবনে কোন বিশেষ স্থিতি তৈরি করে সেদিকে নজর বহু গণৎকারের।

রক্তচাঁদ ও জ্যোতিষ গণনা
বৈদিক জ্যোতিষ মতে আকাশে ব্লাজ মুনের প্রভাবে বৈদেশিক শক্তির দেশের অভ্যন্তরে গমনের আশঙ্কা থেকে যায়। সেই জায়গা থেকে দেশের সামরিক বিভাগ নিয়ে উত্তেজনার অধ্যায় বহু ক্ষেত্রে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

চন্দ্রগ্রহণের প্রভাব থেকে বাঁচতে উপায়
জ্যোতিষবিদরা বলছেন, চন্দ্রগ্রহণ বা ব্লাড মুনের সময় কোথাও যাতায়াত করা ঠিক হবে না। এমন সময় শিবরে শরণে থেকে মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ কার যেতে পারে। প্রসঙ্গত ,২৬ মে যখন একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে, তখন অন্যদিকে আকাশে রক্তবর্ণ চাঁদ, এমন অবস্থায় সাবধানতা অবলম্বন শ্রেষ্ঠ উপায় বলে দাবি বহু জ্যোতিষবিদের।












Click it and Unblock the Notifications