দুর্গাপুজো ২০১৯: শাস্ত্র মতে নবপত্রিকার পুজো-মাহাত্ম্য একনজরে
দুর্গাপুজো মানেই চার দিনের চার রকমের আনন্দ। আর এই চারদিন ধরে বাঙালির প্রাণের উৎসব সেজে ওঠে বিভিন্ন আচার আচরণের মধ্য দিয়ে।
দুর্গাপুজো মানেই চার দিনের চার রকমের আনন্দ। আর এই চারদিন ধরে বাঙালির প্রাণের উৎসব সেজে ওঠে বিভিন্ন আচার আচরণের মধ্য দিয়ে। ঐতিহ্য আর শাস্ত্রে বর্ণিত নিয়মের মিশেলে দুর্গাপুজোয় আলাদা রঙ এনে দেয় এই আচারণ-রীতি। বিভিন্ন রীতি যেমন এক পরম্পরার আভিজাত্য ধরে রাখে, তেমনই আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় একটি জাতির সংস্কৃতি। তেমনই দুর্গাপুজোর সপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নানের মধ্যে দিয়ে উঠে আসে একাধিক বার্তা ও সাংস্কৃতিক মাহাত্ম্য।

নবপত্রিকা আসলে কী?
নবপত্রিকা বলতে নয়টি পাতা। তবে শাস্ত্র ছাড়িয়ে যদি একটু গভীরে দেখা যায়, তাহলে নবপত্রিকা বলতে ভিন্ন নয়টি গাছের অংশকেই চিহ্নিত করা হয়। এই নয়টি পত্রিকা হল, কলা, হলুদ, জয়ন্তী, বেল, দড়িম্ব, মান, অশোক ও ধান।

নবদূর্গা পুজো
মূলত, নয়টি পত্রিকার দ্বারা নয় দেবীকে কল্পনা করে পুজো করা হয় মহাসপ্তমীতে। আর নবপত্রিকার পুজোর সঙ্গেই দুর্গাপুজোর সূর্য মধ্যগগনে পৌঁছয়। এই নয়টি পত্রিকার মধ্যে কলা গাছের পাতাকে ব্রাহ্মণী, কচুকে কালিকা, হলুদকে উমা. জয়ন্তীকে কার্তিকী, বেলকে শিবানী, দাড়িম্বকে রক্তদম্ভিকা, অশোককে শোকরহিতা, মানকে চামুণ্ডা, ধানকে লক্ষ্মী রূপে পুজো করা হয়।

কলাবউ স্নান ও পুজোর আচার
অনেকেই মনে করেন , নবপত্রিকা স্নানকে অনকেই গণেশের স্ত্রী কলাবউয়ের স্নান হিসাবে মনে করেন। কিন্তু শাস্ত্রজ্ঞদের দাবি, এই নবপত্রিকা ঐসলে নবদূর্গা। আর তার সম্মিলিত অধিষ্ঠান গণেশের পাশে থাকে।

নবপত্রিকা স্নান ও সাংস্কৃতিক মাহাত্ম্য
মূলত, পরিবেশ সচেতনতা ও পরিবেশ রক্ষার একটি ভাবনা এই নবপত্রিকা পুজোর মধ্য দিয়ে ধরা দেয়। বাঙালি সংস্কৃতি যে উদ্ভিদকেও দেবীজ্ঞানে পুজোয় বিশ্বাসী , তা আরও একবার ধরা পড়ে দুর্গাপুজোর সপ্তমীর সকালে নবপত্রিকা পুজোর মধ্য দিয়ে।












Click it and Unblock the Notifications