বিজেপির লোক ভাঙান মমতা, কংগ্রেসকে লক্ষ্য কেন! পিকের মার্কেটিংকে বিঁধলেন অধীর

কংগ্রেসের লোক ভাঙিয়ে গোয়া-ত্রিপুরায় বাড়তে চাইছে তৃণমূল। তার ফলে বিজেপির ফেরার পথ আরও মসৃণ হচ্ছে।

কংগ্রেসের লোক ভাঙিয়ে গোয়া-ত্রিপুরায় বাড়তে চাইছে তৃণমূল। তার ফলে বিজেপির ফেরার পথ আরও মসৃণ হচ্ছে। কেননা বিরোধী ভোট আরও ভাগ হচ্ছে তৃণমূলের গোয়া-ত্রিপুরায় প্রবেশে। তা নিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের মার্কেটিংকে সমালোচনার বিদ্ধ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

বিরোধী ঐক্যকে কেন ভাঙছেন? প্রশ্ন অধীরের

বিরোধী ঐক্যকে কেন ভাঙছেন? প্রশ্ন অধীরের

তৃণমূলের ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোর ও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক বন্ধনীতে রেখে নিশানা করেছেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বিজেপিকে হারাতে চান তো বিজেপিকে ভাঙুন। কেন কংগ্রেস ভাঙছেন। তাতে তো বিজেপিই আখেরে শক্তিশালী হচ্ছে। এ কেমন মার্কেটিং করছেন আপনাদের ভোট কৌশলী। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই বা মুখে বিজেপি বিরোধিতার কথা বলে বিরোধী ঐক্যকে কেন ভাঙছেন?

প্রশান্ত কিশোরের মার্কেটিংয়ের সমালোচনায় অধীর

প্রশান্ত কিশোরের মার্কেটিংয়ের সমালোচনায় অধীর

অধীরের কথায়, বিজেপির বিরুদ্ধে জিততে গেলে বিজেপি ভাঙাক, কংগ্রেসের লোক ভাঙিয়ে কীসের ফায়দা। শুধু গোয়া বা ত্রিপুরা নয়, উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস থেকে ললিতেশপতি ত্রিপাঠী-সহ দুই নেতাকে তৃণমূলে যোগদান করানো হয়েছে। দিদির হয়ে প্রশান্ত কিশোর মার্কেটিংয়ে বেরিয়ে কবে কে কংগ্রেস করেছে তাঁকে দলে নিয়েছে।

তৃণমূল উত্তরপ্রদেশ দখল করলে খুশি হবে কংগ্রেস

তৃণমূল উত্তরপ্রদেশ দখল করলে খুশি হবে কংগ্রেস

অধীর বলেন, তৃণমূল উত্তরপ্রদেশ দখল করে নিক না। আমরা তো খুশি হবই। কিন্তু কংগ্রেসের লোক ভাঙিয়ে কী হবে? পারলে বিজেপির লোক ভাঙাক। এভাবে একের পর এক রাজ্যে কংগ্রেসকে দুর্বল করে কোনওদিন বিজেপি শাসনের অবসান ঘটানো যাবে না। তৃণমূল বিজেপি বিরোধিতার নাম করে, তাঁদের চালর পথ আরও সুগম করছে বলে অভিযোগ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির।

তিন মাসেই নাকি বিজেপিকে হারিয়ে দেবে তৃণমূল!

তিন মাসেই নাকি বিজেপিকে হারিয়ে দেবে তৃণমূল!

উল্লেখ্য, গোয়াকে পাখির চোখ করেছে তৃণমূল। মাস তিনেক বাদেই নির্বাচন। এই তিন মাসেই নাকি তৃণমূল সংগঠন গড়ে ভোট ময়দানে নেমে বিজেপিকে হারিয়ে দেবে। সেইজন্য কংগ্রেস ভাঙিয়ে তারা বিজেপির বিরুদ্ধে জোরদার লড়াইয়ে নেমেছে। বিজেপির গায়ে আঁচড়ও কাটতে পারেনি তারা। উপরন্তু গোয়ায় কর্মসূচির অনুমতিও পায়নি। এরই মধ্যে আগামী চারদিন গোয়া সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে জোট কতটা শক্তিশালী হবে, প্রশ্ন

কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে জোট কতটা শক্তিশালী হবে, প্রশ্ন

তৃণমূল গোয়ায় গিয়ে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা করতে পারে। ইতিমধ্যে কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফালেইরোকে দলে নিয়েছে তৃণমূল। আরও অনেক কংগ্রেস নেতা যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। এবার তাঁরা বিভিন্ন দলকে নিয়ে জোট করে বিজেপির বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে চাইছে। কিন্তু গোয়ার প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে সেই জোট কতটা শক্তিশালী হবে তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।

গোয়ায় ত্রিমুখী লড়াই আসন্ন, বিজেপির অনেক সুবিধা

গোয়ায় ত্রিমুখী লড়াই আসন্ন, বিজেপির অনেক সুবিধা

তৃণমূল যে খেলা শুরু করেছে, তাতে গোয়ায় ত্রিমুখী লড়াই আসন্ন। তা হলে বিজেপির অনেক সুবিধা। বিজেপি অবহেলায় তাঁদের গড় রক্ষা করতে পারবে। গতবার বিজেপিকে হারিয়ে কংগ্রেসই বৃহত্তম দল হয়েছিল গোয়ায়। কিন্তু ভাঙনের খেলা চালিয়ে সরকার গড়ে বিজেপি। কংগ্রেস বৃহত্তম দল হয়েও সরকার গড়তে অপারগ হয়। কংগ্রেসের এই ব্যর্থতাকে মূলধন করেই তৃণমূল এবার আসরে নেমেছে।

কংগ্রেসের পথে কাঁটা বিছিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল

কংগ্রেসের পথে কাঁটা বিছিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল

এর আগেও গোয়ায় সংগঠন বিস্তার করার ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল তৃণমূল। ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁরা গোয়ায় ইউনিট খোলে। কিন্তু আখেরে কোনও লাভ হয়নি। কোনও ভোটব্যাহ্কই সেভাবে তৈরি করতে পারেনি তৃণমূল। ১০ বছর পর ফের গোয়ায় সাংগঠনিক বিস্তারে নেমে তিনমাসে বিজেপির মতো মহা প্রতিপক্ষকে হারানোর স্বপ্ন দেখছে। আর সেই স্বপ্ন সাজাতে গিয়ে যাঁরা বিজেপিকে হারাতে পারত, তাঁদের পথে কাঁটা বিছিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে বেড়ে ওঠাই মমতার উদ্দেশ্য

কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে বেড়ে ওঠাই মমতার উদ্দেশ্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২৮ অক্টোবর গোয়া সফরে যাচ্ছেন। সেখানে তিনি থাকবেন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। এই চারদিনের সফরে তিনি বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সঙ্গে যেমন বৈঠক করবেন, তেমনই বিভিন্ন দল থেকে নেতা-কর্মীদের যোগদান করাবেন তাঁর দলে। বিশেষ করে কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে বেড়ে ওঠাই তাঁর উদ্দেশ্য।

কংগ্রেসের ব্যর্থতা ঢাকতেই তৃণমূল পা রেখেছে গোয়ায়

কংগ্রেসের ব্যর্থতা ঢাকতেই তৃণমূল পা রেখেছে গোয়ায়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোয়ায় গিয়ে প্রচার চালাবেন, জাতীয় কংগ্রেসের ক্ষমতা নেই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার। তাহলে তারা ১৭টি আসনে জিতে সরকার গড়তে অপারগ হত না। আর মেয়াদ শেষে ১৭ জন বিধায়ক থেকে কমে ৫ জন হত না। কংগ্রেসের এই ব্যর্থতা ঢাকতেই তৃণমূলকে গোয়ায় পা রাখতে হয়েছে। কেননা একমাত্র তৃণমূলই পারে বিজেপির খেলা রুখে দিতে পারে। তাই গোয়ায় খেলতে এসেছে তৃণমূল।

বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার খেলায় নেমেছেন মমতা

বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার খেলায় নেমেছেন মমতা

গোয়া ছাড়াও ত্রিপুরাতেও একই খেলা শুরু করেছে তৃণমূল। কংগ্রেসকে ভেঙেই তারা রাজ্য দখল করে ফলবে এমনই মানসিকতা। বিজেপির একজনও শীর্ষ নেতাকে এখনও ভাঙিয়ে আনতে পারেনি তৃণমূল। কংগ্রেসের অভিযোগ, ২০১৮-য় কংগ্রেসকে ভেঙে গড়ে উঠা তৃণমূলের ইউনিট বিজেপির হাতে তুলে দিয়ে তাদের ক্ষমতায় আসার পথ প্রশস্ত করেছিল তৃণমূল। এখন ফের কংগ্রেসকে ভেঙে তাঁরা বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার খেলায় নেমেছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+