বঙ্গ বিজেপিতে পাস শুধু শুভেন্দু-সুকান্ত! ২০২৪-এর আগে ‘দুর্বলতা’ প্রকট জাতীয় বৈঠকে
বঙ্গ বিজেপিতে পাস শুধু শুভেন্দু-সুকান্ত! ২০২৪-এর আগে ‘দুর্বলতা’ প্রকট জাতীয় বৈঠকে
২০২১-এ বাংলায় ২০০-র বেশি আসন জিতে ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছিল বিজেপি। কিন্তু সেই লক্ষ্যপূরণে ব্যর্থ হয় গেরুয়া শিবির। এমনকী বিধানসভা ভোটের পরেও ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি। সেই প্রসঙ্গ উঠতেই জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে অস্বস্তিতে পড়ে বিজেপির বঙ্গ নেতৃত্ব। এবার শুধু ভোট-হিংসার কথা বলে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারেনি বঙ্গ বিজেপি।

বাংলায় কেন এগোতে পারছে না?
হায়দরাবাদে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের আগে রাজ্য সভাপতি ও দলের পদাধিকারীদের সঙ্গে বৈঠক করে বিজেপি। সেখানে রাজ্য ধরে সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেই প্রশ্ন তোলা হয়, বাংলায় কেন ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে বিজেপি। অনযান্য রাজ্যে দল এগোচ্ছে অথচ বাংলায় কেন এগোতে পারছে না, সে প্রশ্ন ওঠে।

বিজেপি আন্দোলন বিমুখ, প্রশ্ন
এ প্রসঙ্গেই ওঠে বাংলায় কেন এত আদি-নব্য দ্বন্দ্ব? কেন পুরনো কর্মীরা কাজ করছে না, কেন তাঁরা মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে? এ বিষয়ে বিজেপি অস্বস্তি এড়াতে পারেনি। শুধু ভোটে হিংসা হচ্ছে বলে বিজেপি হেরে যাচ্ছে এই কথা ঠিক নয়। বিজেপির একটা অংশ বসে গিয়েছে, কেন? তা জানতে চায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এ প্রসঙ্গেই আলোচনা হয় বিজেপির আন্দোলন বিমুখতা নিয়ে।

কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রশ্নে বঙ্গ বিজেপি
কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, বঙ্গ বিজেপিতে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া কাউকে সেভাবে সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না। রাজ্য সরকার-বিরোধী আন্দোলনে সামনের সারিতে দেখা যাচ্ছে না সবাইকে। বিজেপি কেন কোনও কর্মসূচিকে হাতিয়ার করে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঝড় তুলতে পারছে না? কোথায় সমস্যা এবার তা জানা দরকার।

বিভাজন নিয়ে কড়া বার্তা বৈঠকে
বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গিয়েছে, সামনে লোকসভা নির্বাচন। ২০২৪-এর সেই লোকসভা নির্বাচনের আগে দলের সেই রোগ খুঁজে বের করতে হবে। গাফিলতি দূরে সরিয়ে লড়াইয়ে নামতে হবে। কোনও বিভাজন তৈরি করলে হবে না। দলের সবাইকে সমানভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে হবে। একুশে ২০০ আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। এবার সঠিক লক্ষ্যমাত্রা নিরূপণ করে এগোতে হবে। যাতে সঠিক তথ্য পরিবেশন হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

রাজনৈতিক হিংসার অজুহাত চলবে না
জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রশ্ন করে, কোন পথে এগোতে চাইছেন বাংলার নেতারা। উপস্থিত সুকান্ত মজুমদার, অমিতাভ চক্রবর্তী, দিলীপ ঘোষ ও অনুপম হাজরাদের কাছে জানতে চেয়েছিল বিজেপি। তখন রাজনৈতিক হিংসা পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে খাঁড়া করা হয়েছিল। কিন্তু তা সে অর্থে আমল দেয়নি কেন্দ্রীয় বিজেপি। প্রস্তাবনায় তা উত্থাপন করলেও আন্দোলনে জোর দেওয়ার কথা বলেন কেন্দ্রীয় নেতারা।












Click it and Unblock the Notifications