West Bengal Tourism: সুন্দরবনে বাঘের দেখা না পেয়ে হতাশ! চলে আসুন এখানে নতুন অ্যাডভেঞ্চার অপেক্ষা করছে
বর্ষায় এবার জমজমাট সুন্দরবন। ইলিশের টানে রেকর্ড ভিড় হচ্ছে সুন্দরবনে। কিন্তু যে সুন্দরবনের প্রধান আকর্ষণ সেই দক্ষিণরায় কি সবসময় দেখা দেন? তাঁর তো রাজার মেজাজ। রাজার মতো ঘুরে বেড়ান জঙ্গলে। তাঁর এলাকায় কখন তিনি জনসমক্ষে দেখা দেবেন সেটা বোঝা মুশকিল।
সুন্দরবন শুরু হয় সাধারণ গোসাবা থেকে। নদী পথে লঞ্চে পর্যটকরা বেড়ান সুন্দরবনের জঙ্গলে জঙ্গলে। সুন্দরী গাছেদের ফাঁকে কখন তিনি দেখা দেবেন তার জন্য অধীর অপেক্ষা করেন পর্যটকরা। যাঁদের ভাগ্যভাল বরাত জোড়ে দক্ষিণ রায়ের দর্শণ পেয়ে যান। সবার ভাগ্যে জোটে না। এদিকে সুন্দরবন মানেই নাকি জলে কুমীর-ডাঙায় বাঘ। তার টানেই পর্যটকদের ভিড়।

সেই বাঘই যদি দেখা না পাওয়া যায় তাহলে মন খারাপ তো হবেই। মনে হবে বেড়ানোর সব টাকাটাই জলে গেল। পর্যটকরা যাতে নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরে না যান তার জন্য ঝড়খালিতে একটি পার্ক তৈরি করা হয়েছে। যাকে মিনি জু বললে ভুল হবে না। রাজ্য বনদফতর তার নাম দিয়েছে ঝড়খালি ওয়াইল্ড লাইভ অ্যানিম্যাল পার্ক। এখানে অনেক রকমের বন্য জন্তু রাখা হয়েছে।
পাখি, বন বিড়াল, বাঘরোল তো হয়েইছে। তারসঙ্গে রয়েছে সুন্দরবনের আরেক আতঙ্ক সাপ। সুন্দরবনে সাপের বড় আতঙ্ক। বর্ষা কেন সারাবছরই সাপের আতঙ্কে বাস করেন গ্রামবাসীরা। এই পার্কেও একাধিক সাপ রাখা হয়েছে। রয়েছে তিনটি বাঘও। কাজেই সুন্দরবনে যাঁরা বাঘ দেখতে না পেয়ে নিরাশ হবেন তাঁরা এখানে এসে বাঘ দেখতে পাবেন। এছাড়াও রকমারি পাখি রয়েছে। কুমীর এবং হরিণ। অর্থাৎ কোনও ভাবেই বাঘ দেখতে পাইনি কেউ বলতে পারবেন না।

ইলিশের স্বাদ নিতে নিতে দেখে আসুন এই ঝড়খালি পার্কে। বনদফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তাঁরা ঝড়খালি পার্কটিকে আরও সুন্দর করে সাজাতে চাইছেন। পর্যটকদের কথা ভেবে সেখানে বন্য প্রাণীর সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ঝড়খালিতে বাঘের হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। তার নাম রাখা হয়েছে টাইগার সরেফারেল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। সেখানে অত্যাধুনিক িচকিৎসা পরিষেবা রাখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications