ভুলে যান দার্জিলিং, উত্তরবঙ্গের এই জায়গায় এলে বাড়ি ফিরতে মন চাইবে না
চুমিরচেন। অনেকেই শোনেননি এই জায়গাটির কথা। অথচ কালিম্পংয়ের মধ্যেই পড়ে এই গ্রাম। চুমিরচেন শব্দের একটা সুন্দর অর্থ রয়েছে। যার অর্থ হল স্প্রিং ওয়াটার। সুন্দর ছিমছাম একটা গ্রাম। সাজানো গোছানো বাড়ি ঘর। দেখে মনে বিদেশের কোনও হিল স্টেশনে চলে এসেছেন।
চুমিরচেনের নাম অনেকেই শোনেননি। লাভা থেকে যে পথটি পেডংয়ের দিকে চলে গিয়েছে সেই পথ ধরেই চলে আসতে হবে এখানে। চুমিরচেনে গ্রামে পৌঁছনোর রাস্তাটা অসাধারণ। দুপাশে পাইনের জঙ্গল তার মাঝ খান দিয়ে পাহাড়ের বুক চিড়ে চলে গিয়েছে রাস্তা। সারাদিন হোমস্টেতে বসেই সময় কাটিয়ে দেওয়া যায়। চুমিরচেন থেকে কাঞ্জনজঙ্ঘার অসাধারণ সানরাইজ দেখা যায়। নাথুলার দর্শন পাওয়া যায়।

চুমিরচেনের একটি ইতিহাস রয়েছে । এখানে একটি শতাব্দী প্রাচীন মন্দির রয়েছে। সেখানেকার গল্প শোনা যায় স্থানীয়দের কাছে। ভুটান রাজা নাকি এই মনেস্ট্রি থেকে তাঁদের উপাস্য দেবতাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছিলেন সেসময় নাকি ডুলিকা ক্লান্ত হয়ে ডুলি নামিয়ে বসে পড়েছিলেন। কিছুতেই সেই দেবতাকে তুলে নিয়ে যেতে পারছিলেন না। তারপরে নাকি সেই দেবতা দৈববানীতে বলেন তিনি চুমিরচেন ছেড়ে যেতে যান না। সেই কথা শোনার পর ভুটানের রাতা আবার তাঁকে চুমিরচেনেই ফিরিয়ে দিয়ে যান।

চুমিরচেন থেকে অনেক জায়গা কাছে। পেডং মাত্র ১৬ কিলোমিটার। লাভা-লোলেগাঁও ১৬ কিলোমিটার। কালিম্পং মাত্র ১৬ কিলোমিটার। একেবারে মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত জায়গাটি। একটি মাত্রই হোমস্টে রয়েছে এখানে। তাই আগে থেকে বুক করে আসাই ভাল। রাস্তা ভীষণ ভালো। কাছেই রয়েছে সেনার ক্যাম্প। অসাধারণ সুন্দর মনেস্ট্রি রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications