Travel: সন্ধিপুজোর সময় শোনা যায় তোপধ্বনি, পুজোর ছুটিতে দেখে আসুন জঙ্গলে ঘেরা রহস্যময় দেবী মন্দির থেকে
দুর্গা পুজোয় একদিনের জন্য কোথাও ঘুরতে যেতে চান? গভীর জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় যেমন প্রকৃতিকে উপভোগ করতে পারবেন, গা ছমছমে পরিবেশ পাবেন, তেমনভাবেই দেখতে পারবেন জঙ্গলের মাঝে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস প্রসিদ্ধ একটি মন্দির।
গড় জঙ্গলে শ্যামরুপার মন্দির নিয়ে অনেক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে এখানে সন্ধিপুজোয় তোপধ্বনি শুনতে পাওয়া যায়। যদিও সেই আওয়াজ কোথা থেকে আসে, তা বলতে পারেন না কেউ। মন্দিরে দেবীর আদি যে মূর্তিটি রয়েছে, সেটি গর্ভগৃহে রাখা থাকে। পুজোর চার দিন এখানে জাঁকজমক থাকে দেখার মত। ভক্তদের দানের টাকায় পুজোর বিশাল আয়োজন করা হয়। চারদিন ধরে খাওয়ানো হয় ভোগ। তবে সন্ধিপুজো এই মন্দিরের বিশেষ আকর্ষণ। যদিও সারা বছরই পুজো হয়।

দুর্গাপুর থেকে খুব সহজেই এখানে পৌঁছানো যায় তবে নিজস্ব গাড়ি থাকলে যেতে সুবিধা গাড়ি না থাকলে দুর্গাপুরের মুচিপাড়া হয়ে মলান দীঘি পৌঁছতে হবে সেখান থেকে টোটো অথবা অটো রিজার্ভ করে আপনি পৌঁছোতে পারবেন স্থানীয় কাউকে গাইড হিসেবে নেওয়া ভালো কারণ গভীর জঙ্গলের মধ্যে রাস্তা। এখানে রাত্রি বাসের কোন ব্যবস্থা নেই তাই চেষ্টা করবেন সন্ধ্যে নামার আগেই মন্দির এবং জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসার।

এই মন্দির ঘিরে নানা গল্পকথা প্রচলিত আছে। বলা হয়ে থাকে এই জঙ্গলেই নাকি দেবী চৌধুরানী দুর্গাপুজো করেছিলেন। বাংলার প্রথম দুর্গাপুজো নাকি এখানেই প্রথম হয়েছিল। গড় জঙ্গল নিয়ে এমন অনেক কাহিনী শোনা যায়। এখানকার পরিবেশ এখনো গা ছমছমে। মায়ের মন্দিরে গেলেই সেটা বোঝা যায়। গড় জঙ্গল আসলে সেটা বোঝা যায়। কাজেই এবার পুজোর ছুটিতে চলে আসুন কলকাতার কাছেই এমন একটি গা ছমছম করা দুর্গামন্দিরে।
এর সঙ্গে বিষ্ণুপুরও ঘুরে নিতে পারবেন। সেখানেও রয়েছে একাধিক বাড়ির পুজো। রাজবাড়ির পুজো। বিষ্ণুপুর শহরের টেরাকোটার মন্দির দেখে নিতে পারবেন। কাজেই সুযোগ বুঝে বেড়িয়ে আসুন সেই জায়গা গুলি থেকে।












Click it and Unblock the Notifications