Travel: বারান্দার ব্যালকনিতে দাঁড়ালেই গা ছুঁয়ে যায় মেঘ, দুদিনের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন এই পাহাড়ি গ্রামে
দার্জিলিংয়ের এক ঘেয়েমি কাটিয়ে বেড়িয়ে আসুন একটি ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামে। সেখানকার পরিবেশ কাটিয়ে দেবে সব ক্লান্তি। যেখানে বারান্দায় দাঁড়ালে গা ছুঁয়ে যায় মেঘ। কাঞ্চনজঙ্ঘা যেন ছুঁয়ে দেখা যায়। কোথায় রয়েছে এমন স্বর্গীয় জায়গা। সেই জায়গাটির নাম রঙ্গিত মাজুয়া।
এনজেপি থেকে শেয়ার গাড়িতে এখানে আসা যায়। বুঝিয়া- সুখিয়া পোখরি মিরিক হয়ে আসা যায় মানেভঞ্জন। মানে ভঞ্জন মানেই সকলে সান্দাকফুর কথা ভাবেন। চা-বাগান আর পাইনের জঞ্জলের বুক চিড়ে চলে গিয়েছে রাস্তা। সুখিয়া পোখরি থেকে শেয়ার গাড়িতে আসা যায় মানেভঞ্জন। মানেভঞ্জন থেকে রঙ্গিত মাজুয়া গ্রামের দূরত্ব তিন কিলোমিটার। প্রয়োজনে মানে ভঞ্জন থেকে ট্রেক করেও সেখানে পৌঁছানো যায়।

ট্রেক করে ১ ঘণ্টার মধ্যেই এই গ্রামে পৌঁছে যাওয়া যায়। এই গ্রামটিতে লেপচা জনজাতির বাস। তবে খুব বেশি জনবসতি নেই এখানে। এখান থেকে অসাধারণ পাহাড়ের দৃশ্য উপভোগ করা যায়। পাহাড়ের মাঝেই রয়েছে ছোট্ট সব হোমস্টে। এখান থেকে সিকিমের বেশ কিছু তুষার শুভ্র পাহাড় দেখা যায়। আকাশ পরিষ্কার থাকলে এখানে মনেহবে যেন স্বর্গে যেন এখানেই।
ছোট্ট লেপচা গ্রামে গুটি কয়েক বাসিন্দারা সহজেই আপন করে নেন অতিথিদের। এখান থেকে রাতের সৌন্দর্য অসাধারণ লাগে। এই গ্রাম থেকে দেখা যায় দার্জিলিং শহরটাকেও। গ্রামের কাছেই রয়েছে ছোট্ট পাহাড়ি নদী। কুল কুল শব্দে বয়ে যায় সেটি। তার শব্দ যেন নদীর পাড়ে টেনে নিয়ে আসে পর্যটকদের। এই পাহাড়ি নদীর পাড়ে অনেকটা সময় কাটিয়ে েদওয়া যায়। তার সঙ্গে পাহাড়ি খানাপিনা তো রয়েইছে।

সপ্তাহান্তের ছুটিতে চলে আসুন এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামে। অসাধারণ এখানকার পরিবেশ মুগ্ধ করবেই। মন ভাল হয়ে যাবে গ্রামের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটাতে কাটাতে। শহরের এক ঘেয়েমি কাটাতে হাতে ২ একদিনের সময় নিয়ে চলে আসুন এই জায়গায়। সব ক্লান্তি নিমেষে দূর হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications