Travel: পিকচার পারফেক্ট সকাল দেখতে হলে চলে আসুন এই অফবিট লোকেশনে, সিকিমের গা ঘেঁসেই রয়েছে সেই জায়গা
পিথামচিন। একেবারে অচেনা একটা নাম। জায়গাটিও অজানা। খুব কম মানুষই জানেন অই জায়গার কথা। উত্তরবঙ্গের পর্যটন মানচিত্রে এখনও ঠাঁই মেলেনি তাঁর। কিন্তু একেবারে যাকে বলে পিকচার পারফেক্স লোকেশন এটি। পোস্ট কার্ডে তুলে রাখা যায় এমনই ছবির মতো জায়গা।
পিথামচিন আসলে একেবারে সিকিমের গা ঘেঁসে থাকা একটি গ্রাম। গোটা গ্রামটাই কৃষিজীবি। ১০০০ খানেক মানুষ বাস করে। কালিম্পংয়ের অংশ এটি। তবে সিকিমের উপরেই নির্ভর করেন এখানকার বাসিন্দারা। বাজারহাট, স্কুল, হাসপাতাল সবটাই সিকিম নির্ভর।

ঝকঝকে সবুজ জঙ্গলের মাঝে রূপোলি পাহাড়ের রেখা। গ্রামের সরল সাদাসিধে মানুষের সঙ্গে কয়েকটা দিন অনায়াসে কাটিয়ে দেওয়া যায় এখানে। যাঁরা বেড়াতে গিয়ে একটু আলসেমিতে দিন কাটাতে চান তাঁদের জন্য এটি সেরা জায়গা। কারণ এখানে একেবারে ঘরের মধ্যে থেকে পাহাড়ের দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন। যেতে হবে না কোনও ভিউ পয়েন্ট। ঘরের বিছানায় বসে দেখা যাবে বাইরের অসাধারণ সৌন্দর্য। সেখানে বসেই দিন রাত কাটিয়ে দিন।
তবে ভিউ পয়েন্ট যে নেই তা নয়। গ্রামের মধ্যে একটি ভিউ পয়েন্ট রয়েছে। শেষবেলার সূর্যান্ত উপভোগ করা যায় সেখানে। দিনভর গ্রামের মানুষের চাষের কাজের ব্যস্ততা ধরা পড়ে। পরিচ্ছন্ন গ্রামের রাস্তায় হাঁটতে মন্দ লাগবে না। পাহাড়ি সব সবজির চাষ দেখতে অসাধারণ লাগে। পাহাড়ের ধাপ কেটে কেটে চাষ করেন গ্রামবাসীরা। কোনও শোরগোল নেই। নেই কোনও কোলাহল। আকাশের শেষ আলো রাঙিয়ে দিয়ে যায় গোটা গ্রামকে।

যাঁরা পাহাড়ে ট্রেকিং করতে ভালবাসেন। এখান থেকে ট্রেকিংয়েও যেতে পারেন। এখানকার অনেকেই পর্যটকদেরক ট্রেকিং করাতে নিয়ে যান। তার সুনির্দিষ্ট প্যাকেজও রয়েেছ। গাইড নিয়ে যান ট্রেকিংয়ে। গ্রামের অনেক ছেলেই দক্ষ গাইডের কাজ করেন ট্রেকিংয়ের জন্য।
এনজেপি থেকে গাড়ি রিজার্ভ করে আসা যায়। আবার শিলিগুড়ি থেকে শেয়ার গাড়িতেও আসা যায় তবে ভেঙে ভেঙে আসতে হবে। শিলিগুড়ি থেকে রেলং সেখান থেকে আবার শেয়ার গাড়িতে আসা যায়। আবার কালিম্পং থেকেও শেয়ার গাড়িতে এখানে আসা যায়।












Click it and Unblock the Notifications