Travel: কাঞ্জনজঙ্ঘা নয় এই পাহাড়েই দেখুন নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয়, আরণ্যক স্নিগ্ধতা রয়ে যাবে বছরভর
আর ২ সপ্তাহ পরেই শহর ভাসবে ফের উৎসবের আনন্দে। বড়দিনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কলকাতা শহর। অনেকে আবার কলকাতায় বর্ষশেষে ভিড়ে যেতে পছন্দ করেন না। যাঁরা অফবিট কোও লোকেশনে যেতে চাইছেন তাঁরা চলে আসুন পুরুলিয়ার এই অফবিট লোকেশনে।
পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি ব্লকে রয়েছে টিকরটাঁড় গ্রাম। একেবারেই আদিবাসীদের গ্রাম। বরাভূম স্টেশন থেকে তার দূরত্ব খুব বেশি হলে ১৮ কিলোমিটার। এই টিকরটাঁড় গ্রামেই বেশ একটা আরণ্যক পরিবেশে কাটিয়ে যেতে পারেন বর্ষশেষের কয়েকটা দিন।

সিংহভাগ মানুষই কাঞ্চনজঙ্ঘায় নতুন বছরের সূর্যোদয় দেখতে যান। কিন্তু এবার না হয় চলে আসুন এই টিকরটাঁড় গ্রামে। এখানেই রয়েছে কুকুবুরু পাহাড়। এই পাহা়ড়ই গ্রামবাসীদের কাছে ঈশ্বর। এই পাহাড় ঘিরেই তাঁদের পুজো-পার্বন-উৎসব। এই পাহাড়েই তাঁরা মানত করেন। ইচ্ছে পূরণ হলে পুজো দেন।
এই পাহাড়ে আবার নবীশ পর্বোতারোহণের প্রশিক্ষণ হয়। কােজই এই গ্রামে এলে অনেক ছোট ছোট ক্যাম্প দেখতে পাবেন। যেখানে শীতকালে পর্বোতারোহনের প্রশিক্ষণ নিতে আসেন নবীশ পর্বাতারোহীরা। চাইলে নিজেও গাইড নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন পাহাড়ের বেশ কিছুটা অংশ।
সবচেয়ে সুন্দর এই আদিবাসী গ্রামটি। ছোট্ট একটা গ্রাম। কিন্তু প্রচণ্ড যত্ন সহকারে নিজেদের সাদামাঠা জীবন সাজিয়ে রেখেছে তারা। প্রতিটি মাটির বাড়ির দেওয়াল জু়ড়ে নিপুন দক্ষতায় তাঁরা রাঙিয়ে তুলেছে তাঁদের ছবি। এই ছবি যেকোনও বড়শিল্পীকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। গ্রামের প্রতিটি পথঘাট এতোটাই পরিচ্ছন্ন যে দেখলে অবাক হতে হয়। কাজেই এবার না হয় এমন একটি জায়গাতেই বর্ষবরণের সূর্যোদয় উপভোগ করলেন। চ্ছন্ন যে দেখলে অবাক হতে হয়। কাজেই এবার না হয় এমন একটি জায়গাতেই বর্ষবরণের সূর্যোদয় উপভোগ করলেন।












Click it and Unblock the Notifications