Ramji: সানরাইজের সঙ্গে সানসেট আবার কাঞ্জনজঙ্ঘার ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ, হাতে ২ দিন ছুটি নিয়ে চলে আসুন এখানে
পাহাড় মানেই সৌন্দর্যের খনি। সকাল-দুপুর-রাত সবসময় কোনও না কোনও সৌন্দর্য রয়েইছে। দুর্গাপুজোয় যাঁরা এখনও বেড়ানোর নতুন কিছু খুঁজছেন। বা যাঁদের হাতে ২ দিন ছুটি রয়েছে তাঁরা আর দেরি না করে চলে আসুন দার্জিলিং জেলার এই অফবিট লোকেশনে।
এই জায়গার নাম রামজি। একেবারেই অফবিট লোকেশন তা আলাদা করে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। দার্জিলিং জেলার এই জায়গাটি পর্যটন মানচিত্রে একেবারেই আনকোড়া। তেমন কেই জায়গাটির নাম জানেন না। কিন্তু এখানকার সৌন্দর্য উত্তরবঙ্গের তাবর জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে।

কাঞ্জনজঙ্ঘার ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায় এখান থেকে। অর্থাৎ সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটিই দেখা যায় অনায়াসেই। চারিদিকে সবুজের সমাহার। তার মাঝে হীরের মুকুটের মতো জ্বল জ্বল করে কাঞ্জনজঙ্ঘা। অসাধারণ সেই দৃশ্য। রামজি জায়গাটি এতোটাই সুন্দর যে উত্তরবঙ্গের যেকোনও পর্যটন কেন্দ্র হার মানবে এর কাছে।
এই রামজি থেকে মানে ভঞ্জন দেখা যায়। এখান দিয়ে সান্দাক ফু ট্রেক করা যায়। তবে মানেভঞ্জন রুট দিয়েই বেশি সান্দাকফু ট্রকে হয়। এই রামজি হয়ে এখন কমই ট্রেক করা হয়। চারিদিকে সবুজ জঙ্গলের পাহাড়। তার মাঝে এই জায়গাটি অসাধারণ। এখানে থাকতে গেলে হোম স্টেতে থাকতে হবে। সেকারণে আগে থেকে বুক করে আসাই ভালো।

হোম স্টে গুলি আবার টেন্টে থাকার সুযোগও করে দেন পর্যটকদের। চারিদিকে পাহাড় মাঝে টেন্ট খাটিয়ে থেকে যান। খোলা আকাশের নীচে অসাধারণ লাগবে। বার্বিকিউ করার বন্দোবস্তও রয়েছে। সুখিয়াপোখরির কাছে এমন সুন্দর একটি জায়গা রয়েছে অনেকেই সেটা জানেন না। সুখিয়া পোখরি থেকে শেয়ার গাড়়িতে চলে আসতে পারেন। শিলিগুড়িতে সুখিয়া পোখরি এসে। সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া পাওয়া যায়।
এখান থেকে দার্জিলিং, লেপজা জগত বেড়িয়ে আসা যায়। আবার এখান থেেক নেপাল ভ্রমণও করা যায়। এখানে গ্রামের পথে বেড়িয়ে আসতে ভাল লাগে। গ্রামের মধ্যে সুন্দর সুন্দর নার্সারি রয়েছে। সেখানে নাম না জানা অনেক গাছ দেখতে পাবেন। ব্লু পাইন, রডোডেনড্রন দেখা যায়। রাতের ভিউ মুগ্ধ করবে। চারিদিকে অসংখ্য আলো জোনাকির মতো সামনের পাহাড়ে জ্বল জ্বল করতে দেখা যায়।












Click it and Unblock the Notifications