নীলগিরি পর্বত মালার উপরে শৈবতীর্থ, ঘুরে আসুন কলকাতার কাছেই এই পুণ্যস্থানে
অযোধ্যার রাম মন্দির উদ্বোধনের শুভক্ষণে ঘুরে আসুন কলকাতার কাছেই এক শৈবতীর্থে। যার নাম পঞ্চলিঙ্গেশ্বর। প্রতিবেশি রাজ্য ওড়িশায় রয়েছে সেই জায়গা। নীলগিরি পর্বতমালার উপরে সেই শিব মন্দিরের অবস্থান। ২৫০ সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয় সেই মন্দিরে। কিন্তু সেখানে পৌঁছনোর পর সব কষ্ট ভুলে যান ভক্তরা।
এতোটাই সুন্দর নীলগিরি পর্বতমালা। অসম্ভব সুন্দর ভিউ পাওয়া যায় সেখান থেকে। সেই পাহাড় থেকেই মন্দিরের পিছন দিয়ে একটি নেমে এসেছে। বর্ষায় সেই নদীর চেহারাই বদলে যায়। তখন তীব্র গতিতে সমতলে নেমে আসে সেই নদী। এই মন্দিরের চারিপাশের প্রাকতিক সৌন্দর্য এতোটাই মনোরম যে মন শান্ত হয়ে যায়।

এই পঞ্চলিঙ্গেশ্বরে কোনও মন্দির তেমন নেই। উন্মুক্ত প্রান্তরেই শিবলিঙ্গের অবস্থান। পাঁচটি কুণ্ড রয়েছে তার মধ্যে রয়েছে শিবলিঙ্গগুলি। সেগুলি কুণ্ডের জলে হাত দিয়ে স্পর্শ করতে হয়। সেখানে পুজো দেওয়ার সব বন্দোবস্ত রয়েছে। এই সময় জল কম থাকায় ভাল করে পুজো দেওয়া যায় পঞ্চ কুণ্ডের শিবলিঙ্গে। বর্ষার সময় জল বেড়ে যাওয়ায় আর সেখানে স্পর্শ করা যায় না। কাছেই রয়েছে একটা দেবকুণ্ড। আবার কাছেই রয়েছে অম্বিকা মাতার মন্দির। সেখােনও পুজো দিয়ে দর্শন করতে পারেন।
অম্বিকা মাতার মন্দির থেকে কিছুটা দূরে গেলেই মিলবে সুরজ কুণ্ড এবং উষা কুণ্ড। সেখানে পৌঁছতে গেলে একটু ট্রেক করে পাহাড়ের উপরে উঠতে হবে। গাইড নিয়ে এই পথে যাওয়া ভাল। কারণ একেবারে জঙ্গলের পথ হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। সেই সঙ্গে বন্য জন্তুর উপদ্রবও রয়েছে।
২২জানুয়ারি ঐতিহাসিক রাম মন্দিরের দরজা খুলবে। ৫০০ বছর পর অযোধ্যায় পুনপ্রতিষ্ঠিত হবেন রামলালা। সেই উপলক্ষ্যে এক প্রকার গোটা দেশে উৎসবের মেজাজ। অসংখ্য মানুষ অযোধ্যার ভিড় করতে পারেন আশঙ্কা করে আগে থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ভক্তদের সেদিন সেখানে যেতে নিষেধ করেছেন। নিজের বাড়িতে অথবা কাছাকাছি কোনও মন্দিরে পুজো দিয়ে দিনটি উদযাপন করার বার্তা দিয়েছেন তাঁরা। এই পুণ্য তিথিতে যদি পঞ্চলিঙ্গেশ্বরের মতো কোনও জায়গায় যাওয়া যায় তাহলে বেড়ানোর একটা উপরি পাওনা হয়ে যায় অবশ্যই। বিশেষ করে পরের দিন যখন ছুটি থাকছে অফিস-আদালত-স্কুল-কলেজ।












Click it and Unblock the Notifications