নাসার চন্দ্রাভিযানের প্রথম ধাপ! আর্টমিস আই যাত্রা শুরু করবে ২৯ অগাস্ট
নাসার (NASA) চন্দ্রাভিযানের (moon mission) প্রথম ধাপ। ২৯ অগাস্ট যাত্রা শুরু করবে আর্টমিস আই (Artemis I) । নাসার গভীর মহাকাশ অনুসন্ধানের প্রথম ধাপ হল আর্টমিস মুন মিশন। যা গভীর মহাকাশ অনুসন্ধানে ভিত্তি প্রদান করবে বল
নাসার (NASA) চন্দ্রাভিযানের (moon mission) প্রথম ধাপ। ২৯ অগাস্ট যাত্রা শুরু করবে আর্টমিস আই (Artemis I) । নাসার গভীর মহাকাশ অনুসন্ধানের প্রথম ধাপ হল আর্টমিস মুন মিশন। যা গভীর মহাকাশ অনুসন্ধানে ভিত্তি প্রদান করবে বলে মনে করছে বিজ্ঞানী মহল।

সোমবার সকালে যাত্রা শুরু
ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার লঞ্চ প্যাড 39 B থেকে যাত্রা শুরু করবে আর্টমিস আই। সময় নির্ধারিত হয়েছে সকাল ৮.৩৩। ওরিয়ন মহাকাশ যানে তা পাঠানো হবে। প্রসঙ্গত আর্টমিস প্রোজেক্ট শুরু করা হয় ১৯৭২ সালে। চাঁদে মানুষের প্রথম পদার্পণের দিকে লক্ষ্য রেখে। তারপর মহিলাকে চাঁদে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যও রাখা হয় এই মিশনে।
মানুষকে নিয়ে প্রথম মহাকাশ যান অ্যাপোলো ১১ চাঁদে অবতরণ করেছিল ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই। আর শেষটি ছিল অ্যাপোলো ১৭ ১৯৭২-এর ১১ ডিসেম্বর।

আর্টমিস মিশন কী
আর্টমিস হল গ্রিক পুরানে চাঁদের দেবী, যাঁর নামানুসারে নাসার চাঁদ মিশনের এই নামকরণ। এই আর্টমিস মিশনের উদ্দেশেয হল এটি নাসাকে চাঁদে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারে সক্ষম করবে, যা কিনা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে অনুসন্ধানের পথ তৈরি করবে।
আর্টমিস মিশনের তিনটি পর্যায় রয়েছে। সেগুলি হল আর্টমিস ১,২ এবং ৩।
বাসার বিশাল এসএলএস রকেট এবং ওরিয়ন স্পেস ক্যাপসুল মহাকাশচারীদের চাঁদের কক্ষপথে নিয়ে যাবে। সেখান থেকে স্পেস এক্স নিউম্যান ল্যান্ডার সিস্টেম নভোশ্চরদের চাঁদের বরফের দক্ষিণ মেরুতে নিয়ে যাবে।

আর্টমিস আই কী
আর্টমিস আই হল একটি ক্রুবিহীন উত্তোরণয ক্যাপসুলে কোনও মানুষ থাকবে না। আর্টমিস আই সফল হলে তা এসএলএস এবং ওরিঅনকে অন্য দুটি আর্টমিস মিশনে পাঠানো হবে।
আর্টমিস আই-এর সময়কাল ৪২ জিন, তিন ঘন্টা ২০ মিনিট। ওরিয়ন রকেট পৃথিবী থেকে আনুমানিক ৪,৫০,০০০ কিমি দূরে এবং চাঁদের থেকে ৬৪,০০০ কিমি দূরে থাকবে। মহাকাশযানটি কোন স্পেশ স্টেশনে না থেকে যে কোনও মানব মহাকাশযানের থেকে বেশি সময় মহাকাশে থাকবে। আর্টমিস আই গভীর মহাকাশে মানুষের অন্বেষণের মঞ্চ তৈরি করবে।
আর্টমিস আই পৃথিবীরে নিরাপদে ফিরে আসার মাধ্যমে ওরিয়নের ক্ষমতার পরীক্ষা দেবে। মহাকাশযানটি প্রতি ঘন্টায় প্রায় ৪০ হাজার কিমি বেগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে।

ওরিয়ন কী করবে
ইৎক্ষেপণের প্রায় দুঘন্টা পরে ওরিয়ন আইসিপিএস থেকে আলাগা হয়ে যাবে। পরে আইসিপিএস চাঁদের অধ্যয়নের পথে দশটি ছোট উপগ্রহ স্থাপন করবে, যা কিউব স্যাট নামে পরিচিত। পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে চাঁদে যাওয়ার পথে ওরিয়নকে একটি মডিউল দিয়ে চালনা করা হবে। ওরিয়ন চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯৭ কিমি ওপরে উড়বে। এরপর ওরিয়ন চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ব্যবহার করে নিজেকে একটি দূরবর্তী বিপরীতমুখী কক্ষপথে চালিত করবে। বিজ্ঞাবীদের একটি দল প্রসান্ত মহাসাগর থেকে ওরিয়নকে উদ্ধার করবে। যেখানে নাসা ছাড়াও মার্কিন প্রতিরক্ষা গবেষণা বিভাগের বিশেষজ্ঞরা থাকবেন।












Click it and Unblock the Notifications