Luna 25 Vs Chandrayaan 3: দেরিতে যাত্রা করেও কীভাবে ভারতের থেকে আগে চাঁদের মাটি স্পর্শ করবে রাশিয়া
ভারতের চন্দ্রযান ৩ চাঁদে পাড়ি দেওয়ার প্রায় এক মাস পরে উৎক্ষেপণ হয়েছে রাশিয়ার মহাকাশযান লুনা ২৫। তবু ভারতের থেকে আগে চাঁদের মাটি ছুঁতে সমর্থ হবে রাশিয়া। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারতের থেকে আগে পৌঁছতে কী কৌশল নিল রাশিয়া, তা নিয়েই চর্চা শুরু হয়েছে ওয়াকিবহাল মহলে।
ভারতের চন্দ্রযান ৩ যখন চাঁদের কক্ষপথে তখন লুনা চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছে। কিন্তু অতি স্বল্প সময়ে তা চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে যাবে। ভারতের যে পথ পাড়ি দিতে সময় লেগেছে ২৫ দিন, রাশিয়া তা মাত্র সাড়ে পাঁচ দিনে পৌঁছে যাবে। কীভাবে ভারতের থেকে আগে চাঁদের মাটি স্পর্শ করবে রাশিয়ার লুনা-২৫, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

৪৭ বছর পরে আবার চাঁদে যাচ্ছে রাশিয়া। তারা চন্দ্র অভিযানে সফল একটি দেশ। ফলে এবার তারা দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছতেও সফল হবে বলে আশাবাদী। আর রাশিয়াবা আমেরিকার মতো দেশগুলি অনেক দ্রুত মহাকাশে পাড়ি দিতে পারে। ভারতের তুলনায় প্রযুক্তিগতভাবে তা উন্নত।
ভারতের মিশনগুলি গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি করে কারণ সেগুলি খরচ বাঁচাতে জ্বালানি সাশ্রয় করে মহাকাশে এগিয়ে যায়। ভারতের মহাকাশযানগুলি অপেক্ষাকৃত আকারে ও আয়তনে ছোটো। তাই মহাকাশে পাড়ি দিতে কক্ষপথ বাড়াতে বা কক্ষপথ কমাতে সময় নেয় বেশি।
রাশিয়ার লুনা ১১ অগাস্ট চাঁদে পাড়ি দিয়েছে। তা চাঁদে অবতরণ করবে ২১ অগাস্ট। সাকুল্যে ১১ দিন সময় নেবে। আর ভারতের চন্দ্রযান ৩-এর বিক্রম ল্যান্ডার চাঁদে অবতরণ করবে ২৩ অগাস্ট। অর্থাৎ রাশিয়ার মহাকাশযানের দুদিন পরে। এখানে উল্লেখ্য, ভারত চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল ১৪ জুলাই। ভারতের সময় লাগছে ৪১ দিন।

বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা প্রযুক্তির পার্থক্যের থেকেও দেরি হওয়ার মুখ্য কারণ জ্বালানি সাশ্রয়। রাশিয়া, আমেরিকা বা চিনের থেকে ভারতের মহাকাশ অভিযানে খরচ অনেক কম। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার মঙ্গলযান এর আগে ২০১৩ সালে উৎক্ষেপণ করেছিল। আর মঙ্গলের কক্ষপথে নেমেছিল ২০১৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।
সেখানে নাসার অ্যাটলাস ভি ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর উৎক্ষেপণের পর ২০১৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর পৌঁছেছিল মঙ্গলের কক্ষপথে। ভারতের থেকে ১৩ দিন পরে ছেড়ে তিনদিন আগেই নাসা পৌঁছে গিয়েছিল মঙ্গলে। ইসরো যতটা সম্ভব মিশন সচল রাখার জন্য কম খরচে নয়া মিশনের পরিকল্পনা করে।
মহাকাশে কিছু উৎক্ষপেণের সময় পেলোড এবং রকেট উভয়ের প্রতি গ্রাম বহন করার জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির প্রয়োজন। ইসরোর পিএসএলভি মঙ্গলযান বা জিএসএলভি ও এলভিএম৩ চন্দ্রযান নাসার অ্যাটলাস ভি বা রাশিয়ার সয়ূজের থেকে অনেক ছোটো। ওজনেও কম।












Click it and Unblock the Notifications