Chandrayaan 3: চাঁদে পাড়ি দেওয়ার পর ১০ দিন অতিক্রান্ত! চন্দ্রযান এখন কোথায়, কী করছে
Chandrayaan 3: চন্দ্রযান চাঁদে পাড়ি দেওয়ার পর ইতিমধ্যেই কেটে গিয়েছে ১০ দিন। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে গত ১৪ জুলাই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল চন্দ্রযান-৩। তারপর ধাপে ধাপে ডিম্বাকার কক্ষপথে চাঁদের দিকে অনেকটা পথই পাড়ি দিয়ে ফেলেছে ভারতের এই স্বপ্ন। এখন কোথায়, কী করছে চন্দ্রযান, তার সুলুক সন্ধানেই এই প্রতিবেদন।
চন্দ্রযান-৩ মিশনে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর লক্ষ্য চন্দ্র পৃষ্ঠে একটি রোবোটিক রোভার চালনা করা। রোভার প্রজ্ঞানকে চাঁদের মাটিতে ছুটিয়ে তথ্য সংগ্রহ করাই বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্য। সেই উদ্দেশ্যসাধনে ভারতের চন্দ্রযান-৩ মিশন ধীর ধীরে অগ্রগতির পথে পাড়ি দিচ্ছে।

ইতিমধ্যে ২০২৩-এর ২০ জুলাই চতুর্থ কক্ষপথ-উত্থান কৌশলটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে চন্দ্রযান ৩। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো নিশ্চিত করেছে যে, মহাকাশযানটি এখন পৃথিবীর চারপাশে ৭১৩১৫ কিলোমিটার x ২৩৩ কিলোমিটার কক্ষপথে রয়েছে।
চন্দ্রযান-৩ নামক মহাকাশযানটিকে ইসরোর লঞ্চ ভেহিকেল মার্ক-৩ রকেট দ্বারা ৩৬,৭৫০ কিলোমিটার x ১৭০ কিলোমটারের একটি উপবৃত্তাকার পার্কিং কক্ষপথে স্থাপন করা হয়েছিল। তারপর নিখুঁত লিফ্ট-অফের মাধ্যমে চারটি ধাপ পেরিয়ে গিয়েছে ইসরোর স্বপ্নসন্ধানী মহাকাশযান চন্দ্রযান-৩।
ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মিশনটি মসৃণভাবে অগ্রসর হচ্ছে। প্রতিটি কক্ষপথ-উত্থান পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পাদিত হচ্ছে। প্রথম কৌশলটি ১৫ জুলাই হয়েছিল। দ্বিতীয়টি ১৬ জুলাই, তৃতীয়টি ১৮ জুলাই এবং চতুর্থটি ২০ জুলাই সম্পাদিত হয়েছে। প্রতিটি কৌশলেই মহাকাশযানের গতি বাড়ানোর জন্য এবং চন্দ্র সন্নিবেশের জন্য নয়া অবস্থান ডিজাইন করা হয়েছে।
চন্দ্রযান-৩ মিশনের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হল পঞ্চম কক্ষপথ-উত্থান কৌশল সম্পাদন করা। ২৫ জুলাই দুপুর ২টা থেকে ৩টের মধ্যে তা সম্পাদিত হবে। এই পরিকল্পিত ইভেন্টে মহাকাশযানের কক্ষপথের উচ্চতা বাড়ানোর জন্য নির্ভুল-থ্রাস্টার ফায়ারিং করা হবে।

একবার চূড়ান্ত কক্ষপথ-উত্থাপনের কৌশলটি সম্পন্ন হলে, মহাকাশযানটি ধীরে ধীরে তার গতি বাড়াতে এবং চন্দ্র সন্নিবেশের জন্য পৃথিবীর কক্ষপথ এবং ইঞ্জিন বার্নের একটি সিরিজ সঞ্চালন করবে। মহাকাশযানটি তারপর পৃথিবী থেকে চাঁদে কক্ষপথে প্রবেশ করবে। তারপরে চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ অনুযায়ী চালিত হবে চন্দ্রযান-৩।
চন্দ্রযান-৩ মিশনটি ২৩ বা ৪ অগাস্টে চাঁদের কাছাকাছি পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণে এর বেগ বাড়ানোর জন্য একটি দীর্ঘ পথ অনুসরণ করা হয়েছে। মিশনের ল্যান্ডারটি চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফট-ল্যান্ড করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই মিশনচি সফল হলে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের সঙ্গে ভারতও চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করার জন্য বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে পরিগণিত হবে। বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে, ইসরোর টিমের আসন্ন পঞ্চম কক্ষপথ-উত্থানের কৌশল এবং চন্দ্রযান ৩-এর পরবর্তী যাত্রাপথের দিকে।












Click it and Unblock the Notifications