চারপাশে ৩০ টি বলয়, মহাকাশে দেখা মিলল বিরাটাকার এক আশ্চর্য নক্ষত্রের
মহাকাশের কোন বাঁকে কোন রহস্য লুকিয়ে আছে, তা আজও বুঝে ওঠা কঠিন। বিজ্ঞানের উন্নতিতে সেই রহস্যের পর্দা একটু একটু করে সরলেও এখনও লুকিয়ে আছে অনেক বিস্ময়। মহাশূন্যে তেমনই এক অভিনব সদস্যের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। বুধবার জেমস ও
মহাকাশের কোন বাঁকে কোন রহস্য লুকিয়ে আছে, তা আজও বুঝে ওঠা কঠিন। বিজ্ঞানের উন্নতিতে সেই রহস্যের পর্দা একটু একটু করে সরলেও এখনও লুকিয়ে আছে অনেক বিস্ময়। মহাশূন্যে তেমনই এক অভিনব সদস্যের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। বুধবার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে সেই ছবি।

সৌরজগতের এক প্রান্ত থেকে তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছে গোলাকার এক বিশাল বস্তুর চারপাশে একের পর এক বৃত্ত। আগে কখনও এমন কোনও জিনিস দেখেননি মহাকাশবিদরা।
আমাদের সৌরজগতে শনি ও নেপচুন গ্রহের চারপাশে এমনই বৃত্তের দেখা পাওয়া যায়। আর এবার সৌরজগতের বাইরে এমনই এক সদস্যের সন্ধান পাওয়া গেল, যার চারপাশে অন্তত ৩০ টি বৃত্ত আছে। জানা যাচ্ছে, এটি কোনও গ্রহ নয়, এটি সূর্যের মতো একটি নক্ষত্র, যার নামকরণ করা হয়েছে জে-১৪০৭। শনির বৃত্তের তুলনায় এটি আকারে অনেক বড়।
রোচেস্টার ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী এরিক মামাজেক এই নক্ষত্র আবিষ্কার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সৌরজগতের বাইরে এমন বৃত্তের দেখা মিলল এই প্রথম। প্রায় এক দশক আগে এই আবিষ্কারের কথা জানা গিয়েছিল। জানা গিয়েছে ওই নক্ষত্রে চারপাশে রয়েছে ৩০ টি বৃত্ত। যদি এটি আমাদের আকাশে দেখা যেত, তাহলে তা দেখতে লাগত চাঁদের থেকেও বড়।
এটিকে সুপার স্যাটার্ন বলেও উল্লেখ করছেন মামাজেক। তিনি জানান, জপিটার বা শনির তুলনায় এটি অনেক বড়। কেউ কেউ বলছেন এটি গ্রহও হতে পারে। তা থেকে যে আলো বেরোয় তার ৯৫ শতাংশই ঢাকা পড়ে যায় ওই বৃত্তের দ্বারা। মনে করা হচ্ছে আগামী কয়েক বছরে বৃত্তগুলি পাতলা হয়ে যাবে। আস্তে আস্তে সেগুলো সম্পূর্ণ মুছেও যেতে পারে।
বিজ্ঞানীরা মনে করেন, শনি ও জুপিটারেরও এই নক্ষত্রের মতোই অনেক বৃত্ত ছিল। পরে সেগুলো থেকেই উপগ্রহের জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও তেমনটা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই প্রথমবার এই নক্ষত্রের স্পষ্ট ছবি তোলা হল।












Click it and Unblock the Notifications