নারদ কাণ্ডে সিবিআই-এর হাতিয়ার CFSL রিপোর্ট, অভিযুক্তদের দাবি খণ্ডন
২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির অফিস থেকে নারদ কাণ্ডের (narad sting operation) ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই সময় অভিযুক্ত নেতারা ভিডিও-র সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে অনেকটা সময় চলে গিয়েছে। এখন
২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির অফিস থেকে নারদ কাণ্ডের (narad sting operation) ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই সময় অভিযুক্ত নেতারা ভিডিও-র সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে অনেকটা সময় চলে গিয়েছে। এখন এব্যাপারে সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির (cfsl) রিপোর্ট হাতিয়ার করেই এগোতে চাইছে সিবিআই (cbi)।

নারদ কাণ্ডে চার্জশিট সিবিআই-এর
সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে নারদ কাণ্ডের চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেই চার্জশিটের সঙ্গে সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবের রিপোর্টও জমা দেওয়া হয়েছে। সেখানে জমা দেওয়া cfsl-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, নারদ স্টিং অপারেশনের ভিডিওটি ভুয়ো নয়।

সিবিআই-এর ব্যাখ্যা
নারদ কাণ্ডে অভিযুক্তদের কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আবার কাউকে তা করা হয়নি। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে সিবিআই এনিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে। সোমবার হাইকোর্টে পেশ করা চার্জশিটে রাজ্যপালের অনুমতি নিয়ে চার্জশিট দেওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বলা হয়েছে যে সময়ের ঘটনা অর্থাৎ ২০১৪ সালে ধৃতরা সবাই রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন। তাই রাজ্যপালের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত গ্রেফতারিতে কেন বিধানসভার অধ্যক্ষের অনুমতি নেওয়া হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। সিবিআই-এর তরফে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারির পরে বিধাসভার অধ্যক্ষকে জানানো হয়েছে।

জনস্বার্থ মামলা
নারদ কাণ্ডে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হলেও, কেন একই দোষে দোষী মুকুল রায় এবং শুভেন্দু অধিকারীকে গ্রেফতার করা হল না, তা নিয়ে হাইকোর্ট জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী। এব্যাপারে তাঁর আগের করা একটি জনস্বার্থ মামলার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। এই কংগ্রেস নেতা বলেছেন, এর আগে বাংলার কোনও নেতা মন্ত্রীকে এভাবে কোনও ছবি কিংবা ভিডিওতে হাত পেতে টাকা নিতে দেখা যায়নি।

নারদ মামলার মেরিট নেই
গত পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে আইনি লড়াই চলছে নারদ কাণ্ড নিয়ে। বামেরা দাবি করে থাকে, এই মামলা নিয়ে প্রথমের দিকে রাজ্য কিংবা কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও আগ্রহ না থাকলেও তারা নিজেদের পকেটের পয়সা খরচ করে হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে সিবিআইকে দিয়ে এই মামলার তদন্ত শুরু করান। কিন্তু বর্তমানে আবার অনেক আইনজীবী বলছেন, ভিডিওতে কোথায় নেতারা টাকা চাননি। একজন দিয়ে গিয়েছেন। তাই এই মামলার মেরিট নেই।












Click it and Unblock the Notifications