তৃণমূলের বিদ্রোহী ৫৮ বিধায়কের চিঠি জমা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেতা করার প্রস্তাব গেল স্পিকারের কাছে
সকল জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে তৃণমূলের ৫৮ জন বিদ্রোহী বিধায়ক সই করা একটি চিঠি জমা দিলেন। গত ৩ জুন, বুধবার বেলা ১২টায় জমা পড়া এই চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলনেত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, এই বিদ্রোহী গোষ্ঠী নিজেদের পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়েছেন।
তাঁদের প্রস্তাবিত উপ-দলনেতারা হলেন সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান এবং শিউলি সাহা, আর মুখ্য সচেতক হিসেবে আখরুজ্জামানের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। তৃণমূলের ভবিষ্যৎ এখন সম্পূর্ণভাবে স্পিকারের হাতে। তাঁর সিদ্ধান্তই দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ক্ষমতা পরিবর্তনের পর থেকে সর্বত্রই তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দল ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বললেও নেতাদের পাশে পাননি। কালীঘাটের বৈঠকে একের পর এক বিধায়কের অনুপস্থিতি তারই প্রমাণ।
বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা চিঠির সই-কাণ্ড বিতর্কই রাতারাতি সবকিছু বদলে দিয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলে বহিষ্কৃত হওয়ার পরই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা প্রকাশ্যে নানা ঘটনা সামনে এনেছেন।
'আসল তৃণমূল’ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেতে ঋতব্রত তৃণমূল বিদ্রোহীদের এক ছাতার তলায় আনতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। বিধানসভায় মূল দলের স্বীকৃতি পেতে জেতা আসনের দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়কের সম্মতি প্রয়োজন। ঋতব্রতর দাবি, তাঁদের ম্যাজিক ফিগার রয়েছে।
ঋতব্রত নতুন দলের জন্য লড়লেও চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম দলনেত্রী হিসেবে উল্লেখ করা এক নতুন কৌশল। শোনা গিয়েছে, স্পিকার আজই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications