ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় পেলেন তৃণমূলের সংসদীয় দলের স্বীকৃতি, বিধানসভায় বিরোধী নেতা হিসেবে নয়া যাত্রা

জল্পনা সত্যি করে তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কদের চিঠিতে অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বোসের স্বীকৃতি মেলার পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই হলেন বিরোধী দলনেতা। ফলে তৃণমূলের সংসদীয় দলের 'আসল মালিকানা' ঋতব্রত এবং তাঁর সহযোগী বিধায়কদের হাতে এল। সাংবাদিক সম্মেলনে ঋতব্রত স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, "আজ থেকে বিরোধী দল হিসেবে আমাদের নতুন যাত্রা শুরু। আমরা চাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরামর্শদাতা হিসাবে থাকুন।"

রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাদের বৈঠক ডাকলেও সেখানে হাতেগোনা নেতা হাজির হয়েছেন। তবে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা চিঠির সই সংক্রান্ত বিতর্ক মুহূর্ত সামনে এলে পরিস্থিতি বদলে যায়।

এই সই কাণ্ড ঘিরে মুখ খুলে বহিষ্কৃত হওয়ার পরই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা নিজেদের শক্তি প্রমাণ করতে ঋতব্রত বিদ্রোহী বিধায়কদের এক জায়গায় আনতে সচেষ্ট হন। এদিন বেলা ১২টা নাগাদ অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বোসের কাছে ৫৮ জন বিধায়কের সই করা চিঠি জমা দেওয়া হয়। তারপর বিকেলে অধ্যক্ষ বিদ্রোহীদের চিঠিকে স্বীকৃতি দেওয়ায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি পেলেন।

এরপরই সরকার বিরোধী দলের জন্য ঘর খুলে দিয়েছে এবং এর চাবি ঋতব্রতর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এরপরই ঋতব্রত বলেন, "অষ্টাদশ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার তৃণমূলের যে সংসদীয় দল, তাতে আর কোনো নেতা নেই। এটা সম্পূর্ণ একটি দল। আজ পর্যন্ত এটি ৫৮ জন বিধায়কের একটি দল। আরও ২ জন আছেন, যাঁরা এই মুহূর্তে নেই।"

তিনি দলের নতুন কাঠামোও ঘোষণা করে বলেন, মুখ্যসচেতক হচ্ছেন আখরুজ্জামান, উপ-দলনেতা জাভেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা ও সন্দীপন সাহা। আমরা ৫৮ জন বিধায়ক, তাঁদের সমর্থনের চিঠি মাননীয় অধ্যক্ষকে দিয়েছিলাম।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+