বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোট নিয়ে আতঙ্কিত মানুষ! তৃণমূলের সমর্থনে আব্বাসই মুখ্যমন্ত্রী, কটাক্ষ শুভেন্দুর
তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি (abbas siddiqui) মুখ্যমন্ত্রী (chief minister) হবেন। দাঁতনে সিপিএম সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এমনটাই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি (bjp) নেতা শুভেন্দু অধিকারী (s
তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি (abbas siddiqui) মুখ্যমন্ত্রী (chief minister) হবেন। দাঁতনে সিপিএম সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এমনটাই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি (bjp) নেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। প্রসঙ্গত রবিবার ব্রিগেডের (brigade) সভায় সীতারাম ইয়েচুরি (sitaram yechury) বলেছিলেন, ভোটের পরে মমতা ফের বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাবেন।

মমতা-বিজেপির সম্পর্ক নিয়ে ইয়েচুরির কটাক্ষ
রবিবার ব্রিগেডের সভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, রাজ্যে তৃণমূল ও বিজেপির মক ফাইট চলছে। ভোটের পরে রাজ্যে ত্রিশঙ্কু বিধানসভা তৈরি হলে, তৃণমূল বিজেপির সঙ্গে মিলে সরকার গঠন করবে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

পাল্টা প্রতিক্রিয়া শুভেন্দু অধিকারীর
এব্যাপারে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, তাঁরা যদি বলেন, তৃণমূলের সমর্থনে আব্বাস সিদ্দিকি মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তাহলে কী হবে। বিজেপি নেতা বলেছেন, বাবা-জ্যাঠারা মনে করাচ্ছেন ১৯৪৬ সালে জ্যোতি বসু এবং সুরাবর্দীর সভা হয়েছিল। তারপরেই গ্রেটার ক্যালকাটা কিলিং হয়েছিল। আর ২০২১-এর জোট নিয়ে তো সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত।

প্রসঙ্গত বামেদের ব্রিগেড
বামেরা তাদের ব্রিগেডের মাধ্যমে কর্মী-সমর্থকদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছে। এব্যাপারে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র। সব রাজনৈতিক দলই নিজেদের মতো করে চেষ্টা করবে। তবে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, সিপিএমকে বলবেন, ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা বলতে না। তিনি বলেন, আগে পাড়ায় পাড়ায় ধর্মনিরপেক্ষতা আর সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী যে মিছিল সিপিএম বের করতো, তা আর মনে হয় তারা বের করবে না।

ভাইপো যাবে শ্রীঘরে
নির্বাচন কমিশন একাধিক জেলায় ভোট করাবে দু থেকে তিন দফায় এর মধ্যে রয়েছে দুই- মেদিনীপুরও। নির্বাচন কমিশন এই ঘোষণা করে বিজেপিকে সুবিধা করে দিয়েছে। ঘাটালে রোড শো-এ এমনটাই অভিযোগ করেছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী, বলেন কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, ভাইপো যাবে শ্রীঘরে। এই স্লোগান যেন ভাইপো মনে রাখেন বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

তৃণমূলকে কটাক্ষ
কটাক্ষ করে বলেছেন, দাঁতনের মতো এলাকায় মনে হয় তৃণমূলের কেন্দ্রীয় বাহিনীর দরকার পড়বে। বিজেপির লোকেদের তার দরকার পড়বে না। তৃণমূলের স্লোগান সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ওই দল সব কিছু বাংলাদেশ থেকে ধার করে। আগের জয়বাংলা স্লোগান ছিল মুজিবর রহমানের। আর খেলা হবে স্লোগান নিয়েছিলেন আওয়ামি লিগের সাংসদ শামিম ওসমান। বিজেপি জাতীয়তাবাদ আর দেশপ্রেমের মধ্যে দিয়ে নির্বাচনে লড়াই করে। আদর্শ রয়েছে তাদের। কংগ্রেস, সিপিএম টেস্টেড অ্যান্ড রিজেক্টটেড আর তৃণমূল টেস্টেড। তার লোকসভা নির্বাচনে হাফ রিজেক্টেড হয়েছে। বাকিটাও হবে বিধানসভা নির্বাচনে। তি্নি দাবি করেন, বাংলা মানুষ প্রস্তুত হয়ে আছে বিজেপিকে টেস্ট করার জন্য।












Click it and Unblock the Notifications