৭০-৩০ নয়, আমরাই ১০০, প্রশান্ত কিশোরের অঙ্কে নন্দীগ্রামে টার্গেট স্পষ্ট করলেন মমতা
৭০-৩০ নয়, আমরাই ১০০। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে প্রথমবার নন্দীগ্রামের (nandigram) কর্মিসভায় হাজির হয়ে টার্গেট স্পষ্ট করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) । বিজেপিকে (bjp) নিশানা করে তিনি বলেন, হিন্দু কার্ড
৭০-৩০ নয়, আমরাই ১০০। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে প্রথমবার নন্দীগ্রামের (nandigram) কর্মিসভায় হাজির হয়ে টার্গেট স্পষ্ট করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) । বিজেপিকে (bjp) নিশানা করে তিনি বলেন, হিন্দু কার্ড খেলবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, নন্দীগ্রামের আসন ফাঁকা ছিল বলেই তিনি বলেছিলেন, এখান থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা। আর এব্যাপারে তিনি জনগণের মধ্যে উদ্দীপনাও দেখেছিলেন।

নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর অঙ্ক
নন্দীগ্রামের ভোটার তিনি। সবার কাছের বলেই পরিচিত। নন্দীগ্রামকে তিনি চেনেন হাতের তালুতে। সেখানকার ৩০ শতাংশ ভোটার মুসলিম এবং ৭০ শতাংশ হিন্দু। ৩০ শতাংশকে বাদ রেখে বাকি ৭০ শতাংশ বিজেপির পক্ষে আনার কথা ডিসেম্বরেই বলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরিষ্কার করে বলতে গেলে তিনি হিন্দু ভোট এক জায়গায় করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। একইসঙ্গে তিনি কৃষ্ণনামও করেছেন।

প্রশান্ত কিশোরের অঙ্ক
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেস ৫০০ কোটি টাকা খরচ করে প্রশান্ত কিশোরের থেকে বুদ্ধি কিনছেন। সেই প্রশান্ত কিশোর আগেই জানিয়েছিলেন, নন্দীগ্রামের মতোই বাংলায় ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটার এবং ৭০ শতাংশ হিন্দু ভোটার। প্রশান্ত কিশোর বলেছিলেন বিজেপির প্রথমেই ৩০ শতাংশকে বাদ দিয়ে ৭০ শতাংশকে টার্গেট করছে। কিন্তু তৃণমূলের টার্গেট ১০০ শতাংশ ভোট।

৭০-৩০ নয়, আমরাই ১০০
এদিন ভাষণের শুরুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৭০-৩০ নয়, তারা ১০০। অর্থাৎ নন্দীগ্রামের সব মানুষের সমর্থন প্রার্থনা করেন তিনি। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হিন্দু কার্ড খেলবেন না। তিনি বলেন হিন্দু ধর্ম শিখিয়েছেন বিবেকানন্দ। তিনি ব্রাহ্মণের সন্তান, হিন্দুধর্ম নিয়ে তিনিও যে কারও সঙ্গে তর্কে প্রস্তুত বলেও জানান। এদিন কর্মিসভা শেষ করেই তিনি সোনাচূড়ায় মন্দিরে পুজো দিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নন্দীগ্রাম আসনটা খালি ছিল
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, তিনি যখন বলেছিলেন, নন্দীগ্রামে লড়াই করবেন, সেই সময় নন্দীগ্রাম আসনটা খালি ছিল। সেখানে কোনও বিধায়ক ছিল না। সেই সময় তিনি দেখে নিতে চেয়েছিলেন নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে চায় কিনা। প্রসঙ্গত বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে শুভেন্দু অধিকারী, মন্ত্রীপদে ইস্তফার পাশাপাশি নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদেও ইস্তফা দিয়েছিলেন। নন্দীগ্রামের মানুষের ভালবাসা, মা-বোনেদের উৎসলাহ তাঁকে এখান থেকে প্রার্থী হতে উৎসাহ দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

আগেই মাথায় ছিল সিঙ্গুর, না হয় নন্দীগ্রামের কথা
বিজেপি কটাক্ষ করে বলেছে ভবানীপুরে হারবেন, একথা পরিষ্কার হওয়ার জেরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছেন। এদিন তার উত্তর দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ছোট থেকেই তাঁর চান গ্রামের প্রতি। তাঁর মাথায় ছিল এবার নয়, সিঙ্গুর, না হয় নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়াবেন। সিঙ্গুর না থাকলে নন্দীগ্রাম হত না বলেও মন্তব্য করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।












Click it and Unblock the Notifications