Weather Update: দক্ষিণবঙ্গে দাবদাহের পর কি মিলবে স্বস্তির বৃষ্টি? উত্তরবঙ্গে কী পরিস্থিতি? জানুন আপডেট
তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে গোটা দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা থেকে শুরু করে সমস্ত জেলায় তাপমাত্রার অবিরাম বৃদ্ধির সঙ্গে মানিয়ে নিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। উচ্চ আর্দ্রতার কারণে তীব্র দাবদাহ দৈনন্দিন জীবনকে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত করেছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এই দমবন্ধ অবস্থা ১৪ মে পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। আশা করা হচ্ছে যে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কিছুটা স্বস্তি দেবে।
এই গরম শুধু কলকাতাই নয়, বরং পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং বীরভূমের মতো বেশ কয়েকটি জেলায়ও রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি করেছে। গত কয়েকদিন ধরে দাবদাহের তীব্রতা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে বাইরের কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ সোমবার থেকে কিছু এলাকায় ঝড় ও বৃষ্টিপাতের কথা উল্লেখ করায় আমজনতার মনে আশার আলো জেগেছে।

আবহাওয়া দপ্তর ১৩ মে, মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। হুগলি, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং ঝাড়গ্রামের মতো জেলাগুলিতে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটতে পারে। ফলে তীব্র তাপদাহ থেকে সাময়িক মুক্তি মিলবে। এছাড়া দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়ের পূর্বাভাস আগামী ১৬ মে পর্যন্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ঝড়বৃষ্টির দাপট চলবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের মতো জেলাগুলিতে ১৬ মে পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
হাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে স্বস্তির কথা উল্লেখ থাকলেও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের আশঙ্কা রয়ে গিয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ ১৪ মে পর্যন্ত পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানের কিছু অংশে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকার জন্য সতর্কতা জারি করেছে। এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে দক্ষিণ এবং উত্তরবঙ্গ জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির সম্ভাবনার পূর্বাভাসও দিয়েছে হাওয়া অফিস।
এই চরম আবহাওয়ার কারণে আমজনতাকে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাইরে বেরোতে হলে ছাতা, জল এবং ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন (ওআরএস) বহন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শিশু, বয়স্ক এবং রোগগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করার কথা বলে হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications