মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই গ্রেফতার নন্দীগ্রামের ভিলেজ পুলিশ, খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা দায়ের
নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উপরে হামলার অভিযোগে গ্রেফতার ভিলেজ পুলিশ। গতকালই গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই অ্যাকশন শুরু করে পুলিশ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয় সঞ্জয় গুড়িয়া ওরফে রাজীবকে।
গতকাল এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আক্রান্ত তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই তাঁরা অভিযোগ জানান যে পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই তাঁদের উপরে হামলা চালানো হয়েছে। তাঁদের মারধর করা হয়। আর এই ঘটনায় জড়িত রয়েেছন সঞ্জয় গুড়িয়া নামে এক ভিলেজ কর্মী।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টা পরেই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তথ্য ফাঁস, খুনের চেষ্টা, সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে ওই ভিলেজ পুলিশের বিরুদ্ধে । নন্দীগ্রাম এক নম্বর পঞ্চায়েতের বেকুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ঘটনা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য পঞ্চায়েত ভোটে গোটা রাজ্যে শাসক দল ভাল ফল করলেও নন্দীগ্রামে জিততে পারেনি। নন্দীগ্রাম পঞ্চায়েত ভোটেও নিজের দখলে রেখেছে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সেখানে ভোট করিয়েছিলেন। ভোটের দিন বুথে বুথে ঘুরেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অবশ্য সেদিন নন্দীগ্রামের বাইরে কোথাও যাওয়ার অনুমতিও ছিল না তাঁর।
নন্দীগ্রামে বিজেপির জয়ের পর থেকেই শুরু হয় অশান্তি। একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই অশান্তির পর আক্রান্ত একাধিক তৃণমূল কংগ্রেসকর্মীকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখনও অনেকে গ্রামে ঢুকতে পারছেন না বলে অভিযোগ। গোটা রাজ্যে যখন বিেজপির কর্মী সমরথকদের উপরে হামলার অভিযোগ উঠছে তখন নন্দীগ্রামে উলট পূরান।












Click it and Unblock the Notifications