দেশের মধ্যে প্রথম! ভ্যাকসিন নিয়ে আস্ত একটা আস্ত বাস পৌঁছে যাবে এবার সাধারণের কাছে
গোটা দেশজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। ইতিমধ্যে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কয়েক লক্ষ মানুষ। মৃতের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। দেশের পাশাপাশি কার্যত একই ছবি বাংলাতেও। এই অবস্থায় চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাকসিন দেওয়া
গোটা দেশজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। ইতিমধ্যে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কয়েক লক্ষ মানুষ। মৃতের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। দেশের পাশাপাশি কার্যত একই ছবি বাংলাতেও। এই অবস্থায় চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাকসিন দেওয়াতে হবে। বিশেষ করে যারা সুপার স্প্রেডার হিসাবে সমাজে তাঁদের আগে করা উচিৎ বলে দাবি চিকিৎসকদের।
বাংলায় ভ্যাকসিনের কাজ চলছে। গুরুত্ব বুঝে কিছু মানুষকে আগে দেওয়ার কাজ চলছে বাংলাতে। সেই তালিকাতে যেমন রয়েছেন হকার থেকে শুরু করে পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা।

বড়সড় পদক্ষেপ ফিরহাদ হাকিমের
সংক্রমন রুখতে ইতিমধ্যে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পুরসভার তরফে বিভিন্ন জায়গাতে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ চলছে। এই অবস্থায় বড়াড় এক পদক্ষেপ কলকাতা পুরসভার। 'ভ্যাকসিন অন হুইল' আনছেন ফিরহাদ এবং তাঁর টিম। দ্রুত ভ্যাকসিনের কাজ শেষ করতে হবে। মাস্কমুক্ত হবে কলকাতা। আর সেই লক্ষ্যেই ৩ জুন থেকে শহরে শুরু হচ্ছে 'ভ্যাকসিন অন হুইল' পরিষেবা। অনেকের মতে, এই সিদ্ধান্ত কার্যত যুগান্তকারী। আর এই পরিষেবা

কী থাকছে এই পরিষেবায়?
দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু করেছে রাক্য সরকার। সোজাসুজি প্রস্তুতকারী সংস্থার থেকে ভ্যাকসিন কেনার কাজ চলছে। কিন্তু বহু ক্ষেত্রেই দোকানি, হকার বা ব্যবসায়ীরা টিকা কেন্দ্রে পৌঁছতে পারছেন না। ব্যবসার কাজের চাপে ভ্যাকসিন নেওয়া হয়ে উঠছে না। আর এই পরিস্থিতিতে এবার সেই সমস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে ভ্যাকসিন। আর সেই সমস্ত মানুষের কাছে পৌঁছতেই রাজ্যে শুরু হচ্ছে 'ভ্যাকসিন অন হুইল' পরিষেবা। অনেকেই বলছেন দেশের মধ্যে এই পরিষেবা প্রথম।

কেমন হবে এই ‘ভ্যাকসিন অন হুইল’ ?
৩ তারিখ পোস্তা বাজারে একটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাস পৌঁছে যাবে। যে বাসের মধ্যে থাকবে সুওসজ্জিত একাধিক আসন। থাকবেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। যেখানে ১০ জন করে ব্যবসায়ী. হকার বা দোকানদার কিংবা দিনমজুররা টিকা নিতে পারবেন। টিকা নেওয়ার পরই তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে না। নিয়ম মেনে সেই বাসেই আধঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে তাঁদের। কেউ টিকা নেওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভরতি করবেন ওই চিকিৎসকরাই। এই পরিষেবা পেতে আগে থেকে নাম নথিভুক্ত করার প্রয়োজন নেই। মঙ্গলবার কলকাতা পুরসভায় কোভিড সংক্রান্ত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুর ও পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পুর ও পরিবহণ দপ্তরের যৌথ উদ্যোগেই এই পরিষেবা চালু করা হচ্ছে বলে খবর।

দেশের ১ কোটি লোককে টিকা দেওয়া হবে
অন্যদিকে দেশে কোভিড টিকার কোনও ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। জুলাই বা অগস্টের শুরুতে প্রতিদিন ১ কোটি লোককে টিকা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত টিকা থাকবে বলে মঙ্গলবার জানালেন আইসিএমআর-র ডিজি বলরাম ভার্গব। তিনি আরও জানিয়েছেন যে কেন্দ্রীয় সরকার ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সব নাগরিককে টিকা দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাতেও ইতিমধ্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে বলে জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম।












Click it and Unblock the Notifications