তৃণমূল কংগ্রেসের ২০০০ গ্রাম প্রদক্ষিণ ১০ দিনে! ‘দিদিকে বলো’র দ্বিতীয় সংস্করণে নয়া লক্ষ্যমাত্রা
লোকসভায় আশানুরূপ ফল না করতে পেরে হতাশ হয়ে পড়েছিল তৃণমূল। তারপরই ‘কামব্যাক’ করতে ‘দিদিকে বলো’র উপস্থাপনা। সেই উপস্থাপনার প্রথম পর্যায়ে আশাতীত সাফল্য মিলেছে।
লোকসভায় আশানুরূপ ফল না করতে পেরে হতাশ হয়ে পড়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তারপরই 'কামব্যাক' করতে 'দিদিকে বলো'র উপস্থাপনা। সেই উপস্থাপনার প্রথম পর্যায়ে আশাতীত সাফল্য মিলেছে। এবার শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় পর্যায়ে। এবার ১০ দিনে ২০০০ গ্রামে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে নামছে তৃণমূল। মঙ্গলবার দলের ব্লক সভাপতিদের নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এবার ‘দিদিকে বলো'য় ব্লক সভাপতিরা
এর আগে পর্থম পর্যায়ে বিধায়ক, সাংসদদের গ্রামে গ্রামে ঘুরে রাত কাটাতে দেখা গিয়েছিল। এবার ব্লক সভাপতিদের উদ্দেশ্যে সেই বার্তা দিলেন তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিও ছিলেন অভিষেকের এই ঘোষণার সময়।

‘দিদিকে বলো' প্রথম পর্যায়ে সাফল্য
দলের ব্লক সভাপতি ও টাউন সভাপতিদের ডেকে পাঠানো হয়েছিল মঙ্গলবার। তৃণমূল ভবনে তাঁদের সঙ্গে বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই উঠে আসে এই তত্ত্ব। ‘দিদিকে বলো' প্রথম পর্যায়ে কতখানি সাফল্য পেল তা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি পরবর্তী লক্ষ্য স্থির করে দেওয়া হয় এই বৈঠকে।

প্রথম পর্যায়ের রিপোর্ট কার্ড
যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘দিদিকে বলো'র প্রথম পর্যায়ের রিপোর্ট কার্ড পেশ করেন। সেই রিপোর্ট অত্যন্ত ইচিবাচক বলে জানান দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এবং ‘দিদিকে বলো'র সাফল্যে দল স্বভাবতই খুশি। দ্বিতীয় পর্যায়ে তাই দলের ব্লক সভাপতি ও টাউন সভাপতিদের ময়দানে নামানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

৬০০ নেতা ২০০০ গ্রামে
দ্বিতীয় পর্যায়ের ‘দিদিকে বলো' রূপায়ণে মোট ৬০০ নেতাকে নামানো হচ্ছে। ২০০০ গ্রাম ও ওয়ার্ড বেছে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা আগামী ১০ দিনের মধ্যে এই লক্ষ্যামাত্রা পূরণ করবেন। ঘণ্টা তিনেকের জনসংযোগ কর্মসূচি সভা করবেন, বিশিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন, গ্রামের কোনও কর্মীর বাড়িতে খাওয়া দাওয়া সারবেন ও রাত কাটাবেন।

ছ-দিনের ‘সম্প্রীতি যাত্রা'
পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, এই ‘দিদিকে বলো'র দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্দিষ্ট কর্মসূচি ছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেস ছ-দিনের ‘সম্প্রীতি যাত্রা' করবে। ১৯ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি। বিজেয়ার শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের পাশাপাশি সরকারের জনমুখী প্রকল্পের কথা প্রচার করা হবে এই কর্মসূচিতে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে এটা বিজেপির ‘সংকল্প যাত্রা'র পাল্টা।












Click it and Unblock the Notifications