প্রশান্ত টোটকায় তিন যুযুধান এক মঞ্চে, একুশে তৃণমূল কংগ্রেস কি পারবে ম্যাজিক দেখাতে
প্রশান্ত টোটকায় তিন যুযুধান এক মঞ্চে, একুশে তৃণমূল কি পারবে ম্যাজিক দেখাতে
২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে জয় সুনিশ্চিত করতে উত্তরবঙ্গকে পাখির চোখ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন তৃণমূলের ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোর ও যুব তৃণমূলের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে দ্বন্দ্ব মেটাতে পুরোটা সফ না হলেও আংশিক সফল বলাই যায়। কোচবিহারকে বাগে আতে না পারলেও, আলিপুরদুযার সদর্থক ভূমিকায় দেখাল এই বৈঠকে।

যুধুধান তিন হেভিওয়েটকে এক টেবিলে আমলেন পিকে
আলিপুরদুয়ারের জেলা নেতৃত্বের মধ্যে কোচবিহারের মতো কেন্দল না থাকলেও, তাঁদের মধ্যে বনিবনা ছিল না। সেই অভাব দূর করে দিলেন পিকে ও অভিষেক। এতদিন যা হয়নি, প্রশান্ত কিশোর ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তা করে দেখালেন। আলিপুরদুয়ারের তিন হেভিওয়েট নেতাকে এক টেবিলে নিয়ে এলেন তাঁরা। এক লহমায় মিটে গেল সমস্ত খেদ।

প্রশান্ত কিশোর বাঁধ দিলেন বিতর্কের ঢেউ আটকাতে
ঋতব্রত পরিযায়ী, গডিয়ে যা২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের কাছে আলিপুদুয়ারের কেন্দলও মাথাব্যথা কারণ ছিল। কারণ কয়েকদিন আগেই জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিযায়ী আখ্যা দিয়েছিলেন প্রাক্তন জেলা সভাপতি মোহন শর্মা। সেই জল অনেকদূর গড়িয়েছিল। অবশেষে প্রশান্ত কিশোর বাঁধ দিলেন সেই জল আটকাতে।

এক টেবিলে বৈঠকে বসেন যুযুধান তিন নেতা
প্রশান্ত কিশোর ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পর আলিপুরদুয়ারের জেলা পার্টি অফিসে ব্লক কমিটি গঠন নিয়ে এক বৈঠকে বসেন যুযুধান তিন নেতা। জেলা তৃণমূল সভাপতির উপস্থিতিতে সেই বৈঠকে ছিলেন প্রাক্তন জেলা সভাপতি মোহন শর্মা, বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন কো-অর্ডিনেটর পাশাং লামাও। তাঁরা একসঙ্গে বসে জেলার কমিটি নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

বিজেপিকে কুপোকাত করতে তৃণমূলের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে গঙ্গার ওপারের পরিযায়ী বলে কটাক্ষ করেছিলেন প্রাক্তন জেলা সভাপতি মোহন শর্মা। তারপর প্রশান্ত কিশোর ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এসে বার্তা দেন অবিলম্বে নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বন্ধ করার। বিজেপিকে কুপোকাত করতে তৃণমূলের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি বলে জানান তিনি। তাই এই সময় তৃণমূলের এক না হলে, বড় বিপদ ঘনিয়ে আসবে রাজ্যে।

অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ঘুচল, নাকি ভিতরে ভিতরে রয়েই গেল
এরপরই আলিপুদুয়ার জেলা নেতৃত্বকে এক টেবিলে বৈঠকে বসতে দেখা যায়। এতদিন যে ছবি অমিল ছিল জেলায়, এদিন সেই ছবিই স্পষ্ট হল। রাজ্য নেতৃত্বের চাপে তাঁরা বৈঠকে সামিল হলেও, তাঁদের কি অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ঘুচল, নাকি ভিতরে ভিতরে তা রয়ে গেল, তার উত্তর দেবে ভবিষ্যৎ। তবে ঐক্যের এই ছবি ২০২১ পর্যন্ত দেখাতে পারলে, আশানুরূপ সাফল্য মিলবে বলে বিশ্বাস নেতৃত্বের।












Click it and Unblock the Notifications