এ যেন নন্দীগ্রাম! শীতলকুচিতে মমতা ঘনিষ্ঠ সুব্রত বক্সিকে মাঝরাস্তা থেকে ফেরাল বিজেপি
বিজেপির বাধায় কোচবিহারের শীতলকুচিতে দলের আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো হল না তৃণমূল রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির। এদিন তিনি কোচবিহার থেকে শীতলকুচির পথে রওনা হয়েছিলেন।
বিজেপির বাধায় কোচবিহারের শীতলকুচিতে দলের আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো হল না তৃণমূল রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির। এদিন তিনি কোচবিহার থেকে শীতলকুচির পথে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু রাস্তায় জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়ে অবরোধ শুরু করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। রাস্তায় শুয়ে পড়েন তাঁরা। চলে গোব্যাক স্লোগান। শেষ পর্যন্ত ফিরে আসতে বাধ্য হন সুব্রত বক্সি। জেলা তৃণমূল সভাপতি বলেছেন, পরিস্থিতি যাতে উত্তপ্ত না হয় সেইজন্যই এই সিদ্ধান্ত।

মুখে জয় শ্রীরাম স্লোগান, কালো পতাকা সুব্রত বক্সিকে
শীতলকুচিতে বিজেপির হাতে অত্যাচারিত তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাঁদের পাশে দাঁড়াতে রবিবার কোচবিহারে পৌঁছেছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। এদিন সকালে সেখান থেকে শীতলকুচির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন কোচবিহার তৃণমূলের সভাপতি। কিন্তু শীতলকুচিতে ঢোকার মুখে জটামারিতে ততক্ষণে রাস্তা অবরোধ শুরু করেদিয়েছন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। মুখে জয় শ্রীরাম স্লোগান। সঙ্গে গো ব্যাক স্লোগানও চলছে। সুব্রত বক্সি ঢুকলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে, জানায় বিজেপি।

ফিরে গেলেন সুব্রত বক্সি
শেষ পর্যন্ত ফিরে যেতে বাধ্য হন সুব্রত বক্সি। এলাকা যাতে উত্তপ্ত না হয় সেই জন্য তিনি ফিরে গেলেন বলে জানান সুব্রত বক্সি। তবে তিনি মাথাভাঙায় দলীয় কার্যালয়ে যান এদিন।
সুব্রত বক্সির সামনেই মাথাভাঙার যুব সভাপতি অরুণাভ গুহকে ব্যাপক মারধর করা হয়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন সুব্রত বক্সি।

এ যেন নন্দীগ্রাম!
২০০৭-এর জানুয়ারি থেরে শুরু। সেই থেকে পরবর্তী দুবছর নন্দীগ্রামের অনেক জায়গাতেই পুলিশ কিংবা সিপিএম নেতারা ঢুকতে পারেননি। সৌজন্যে তৃণমূল কংগ্রেসের আন্দোলন। ২০০৯-এ অপারেশন সূর্যোদয়ের পরে সিপিএম নেতারা এলাকায় ঢোকার সুযোগ পান। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ক্ষমতায় থাকা সিপিএমকে সেদিন রাস্তা দেখিয়েছিল তৃণমূল। এবার সেই রাস্তায় বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications